ঐতিহাসিক_মুহূর্ত: বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর!
আজ ২০ আগস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক এক ব্যালট যুদ্ধে ২৫৫ ভোট পেয়ে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক শিক্ষক ও বর্ষীয়ান রাজনীতিক মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর (১৯৯১ সালের পর) এই প্রথম কোনো রাষ্ট্রপতি পদে একাধিক যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বীর উপস্থিতিতে দেশের সংসদ সদস্যরা সরাসরি গোপন ব্যালটে ভোট দিয়ে তাঁদের নতুন রাষ্ট্রপ্রধান বেছে নিলেন।
⚙️ কিভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় তিনি এই পদে অধিষ্ঠিত হলেন?
১. আইনি প্রেক্ষাপট (পদত্যাগ ও শূন্যতা): সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর পদটি শূন্য হয়। সংবিধানের নিয়ম মেনে নির্বাচন কমিশন ২০ আগস্ট ২০২৬ ভোটের দিন ধার্য করে। অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
২. দলীয় মনোনয়ন: ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসা দল বিএনপি-র চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে বর্ষীয়ান নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য মনোনীত করেন।
৩. ঐতিহাসিক সংসদীয় ব্যালট যুদ্ধ: ১৯৯১ সালের পর অনুষ্ঠিত প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচনে মির্জা ফখরুলের বিপরীতে লড়েন জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় বিরোধী ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম। আজ দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংসদ কক্ষে ৩৪৯ জন সংসদ সদস্যের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ ছিল।
৪. ফলাফল ও নিরঙ্কুশ বিজয়: সংসদে ক্ষমতাসীন বিএনপির একক ও দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় ভোটের মাঠের সমীকরণ আগে থেকেই মির্জা ফখরুলের পক্ষে ছিল। বিকেলে ভোট গণনা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিজয়ী ঘোষণা করেন। তিনি মোট ২৫৫ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন।
সংসদের দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার সংস্কৃতি পেরিয়ে এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এক অনন্য ও উৎসবমুখর অধ্যায় হয়ে থাকবে। নতুন মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন!
#BangladeshPolitics #PresidentialElection2026 #MirzaFakhrul #NewPresident #Bangladesh #ঐতিহাসিক_নির্বাচন