বাংলাদেশ ও এ অঞ্চলে রোহিঙ্গা সংকটের প্রভাবের পাশাপাশি রাখাইনে মানবিক পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার উদ্বেগের সঙ্গে একমত জানিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব লেখেন, ‘রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দাতা হিসেবে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ করার প্রয়াস অব্যাহত রাখবে জাতিসংঘ। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তনের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরিসহ মিয়ানমারের সৃষ্ট সংকটের রাজনৈতিক সমাধানের জন্য আঞ্চলিক সংস্থা অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়া ন্যাশনস (আসিয়ান) এবং অন্যান্য অংশীদারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য দেশটিতে আমার বিশেষ দূতের মাধ্যমে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।’
মহাসচিব জানান, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে জাতিসংঘের প্রতিনিধি দল কীভাবে রাখাইনের জনগোষ্ঠীকে মানবিক ও জীবিকা সহায়তা বাড়াতে পারে, সে ব্যাপারে সহযোগিতার জন্য এরইমধ্যে সংস্থাটির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। রাখাইনসহ পুরো মিয়ানমারের সংকটপূর্ণ এলাকায় মানবিক সহায়তা যেন নিরাপদ, দ্রুত, টেকসই ও নির্বিঘ্ন হয়, তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ বদ্ধপরিকর। এ জন্য জরুরি ত্রাণ সমন্বয়কারী এবং মিয়ানমারে অবস্থিত জাতিসংঘের আবাসিক ও মানবিক সমন্বয়কারীর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত থাকার ওপর গুরুত্ব দেবে।
আসিয়ান সম্মেলনের কথা উল্লেখ করে জাতিসংঘ মহাসচিব লেখেন, রোহিঙ্গা মুসলিম ও মিয়ানমারের অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের সম্মেলন নতুন করে দৃষ্টি আকর্ষণ করবে এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে ভূমিকা রাখবে। আসিয়ানের সদস্য দেশগুলোর পরামর্শের পর সম্মেলনের সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনার অপেক্ষায় আছেন তিনি।