• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনাম:
চলো চলো ঢাকায় যাই, মাদারগঞ্জে রেলপথ চাইঃ নুর মোহাম্মদ নুর জেনারেল এম.এ.জি.ওসমানী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান রাজধানীর পল্লবীর স্কুল ছাত্রী রামিসা হত্যাকান্ডের তীব্র প্রতিবাদ ও ঘাতকের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি ফাঁসির দাবীতে জাগো নারী ফাউন্ডেশন দানবীর আর পি সাহাঃ মানবতার দীপশিখা ও সেবার মহাকাব্য || রোকেয়া ইসলাম একটা ধারা || ফাহমিদানবী স্ত্রীর শখ পূরণে কুমির হয়ে গেলেন স্বামী || মোহাম্মদ আব্দুল জলিল একজন মানুষ কেন কোটি টাকা খরচ করে চেয়ারম্যান হতে চায় লেখালেখি করে কয় টাকা পাওঃ মাহফুজা অনন্যা বদলে যাবার গল্প || ফাহমিদানবী

ড. ইউনূসকে জাতিসংঘ মহাসচিবের চিঠি

রিপোর্টারের নাম / ১১৫ জন দেখেছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে চিঠি দিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘ মহাসচিবের লেখা চিঠির একটি অনুলিপি গণমাধ্যমে পাঠিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, চিঠিতে বাংলাদেশের সঙ্গে জাতিসংঘের দৃঢ় সংহতি এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশের উত্তরণ প্রক্রিয়ার প্রতি জাতিসংঘের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন গুতেরেস।

বাংলাদেশ ও এ অঞ্চলে রোহিঙ্গা সংকটের প্রভাবের পাশাপাশি রাখাইনে মানবিক পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার উদ্বেগের সঙ্গে একমত জানিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব লেখেন, ‘রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দাতা হিসেবে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ করার প্রয়াস অব্যাহত রাখবে জাতিসংঘ। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তনের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরিসহ মিয়ানমারের সৃষ্ট সংকটের রাজনৈতিক সমাধানের জন্য আঞ্চলিক সংস্থা অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়া ন্যাশনস (আসিয়ান) এবং অন্যান্য অংশীদারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য দেশটিতে আমার বিশেষ দূতের মাধ্যমে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।’

মহাসচিব জানান, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে জাতিসংঘের প্রতিনিধি দল কীভাবে রাখাইনের জনগোষ্ঠীকে মানবিক ও জীবিকা সহায়তা বাড়াতে পারে, সে ব্যাপারে সহযোগিতার জন্য এরইমধ্যে সংস্থাটির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। রাখাইনসহ পুরো মিয়ানমারের সংকটপূর্ণ এলাকায় মানবিক সহায়তা যেন নিরাপদ, দ্রুত, টেকসই ও নির্বিঘ্ন হয়, তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ বদ্ধপরিকর। এ জন্য জরুরি ত্রাণ সমন্বয়কারী এবং মিয়ানমারে অবস্থিত জাতিসংঘের আবাসিক ও মানবিক সমন্বয়কারীর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত থাকার ওপর গুরুত্ব দেবে।

আসিয়ান সম্মেলনের কথা উল্লেখ করে জাতিসংঘ মহাসচিব লেখেন, রোহিঙ্গা মুসলিম ও মিয়ানমারের অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের সম্মেলন নতুন করে দৃষ্টি আকর্ষণ করবে এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে ভূমিকা রাখবে। আসিয়ানের সদস্য দেশগুলোর পরামর্শের পর সম্মেলনের সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনার অপেক্ষায় আছেন তিনি।

আগামী ১৩ মার্চ চার দিনের সফরে ঢাকায় আসছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে তার এই সফরে রোহিঙ্গাদের বিষয়ে কার্যকরী আলোচনা হবে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
এর আগে, প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা ও অগ্রাধিকার ইস্যুবিষয়ক বিশেষ দূত ড. খলিলুর রহমান গত ৭ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্কে জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ড. ইউনূসের পাঠানো আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ