মূল ঝামেলা বেঁধেছে মানবিক করিডর ও চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে: রাশেদ খান
রিপোর্টারের নাম
/ ৯৬
জন দেখেছে
আপডেট :
শনিবার, ২৪ মে, ২০২৫
শেয়ার
রাশেদ খান তার ভেরিফাইড ফেইসবুক আইডিতে লিখেন, মূল ঝামেলা বেঁধেছে মানবিক করিডর ও চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে! এই দুটো বিদেশিদের দেওয়ার জন্য একমত হয়ে যান, উপদেষ্টা পরিষদ বাগবাকুম করতে থাকবে।
প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের গুঞ্জন ছড়িয়ে বিদেশ নির্ভর এসব উপদেষ্টারা নিজেদের প্রভুদের দেওয়া ওয়াদা রক্ষা করতে চায়। মূলত এভাবে ইমোশনাল ব্লাকমেইল করা হচ্ছে। দেশের সিকিউরিটি থ্রেট তাদের কাছে মূখ্য বিষয় না, এনজিও চালিয়ে পয়সা পাঁতি কামানোই তাদের কাছে মূখ্য বিষয়। ১০ মাসেও সরকার যদি কোন সংস্কার করতে না পারে, সেই ব্যর্থতা কার? সংস্কার কি কোন পুঁথিগত আলাপ দিয়ে সম্ভব? এইজন্য দরকার সকল দলের অংশগ্রহণে ঘনঘন রাজনৈতিক সংলাপ। কিন্তু সেটি করা হয়না। এখনো পর্যন্ত দলগুলোকে নিয়ে একটেবিলে বসে মনখুলে কোন আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। নামেমাত্র ইস্যুভিত্তিক ২ টা সংলাপ ডেকেছে, প্রতিটা দলের ১ জন করে ২-৩ মিনিট কথা বলার সুযোগ পেয়েছে। সেটাও আবার সংস্কারের জন্য সংলাপ নয়। ১০ মাসেও যদি রাজনৈতিক দলগুলোর একটেবিলে বসিয়ে সময় নিয়ে আলোচনার করার উদ্যোগ তারা না নেয়, ঐক্যমত কি আপনাআপনি হয়ে যাবে? সবকিছু আবেগ দিয়ে হয়না, বাস্তবায়নের জন্য যোগ্যলোকের প্রয়োজন হয়। ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস স্যারের সবথেকে বড় দুর্বলতা তার সাথে যোগ্যলোককে তিনি নেননি, ছাত্রদের পরামর্শে একদল অনাভিজ্ঞ, বিতর্কিত দিয়ে তিনি উপদেষ্টা পরিষদ গঠনে সম্মতি দিয়েছেন। আর এজন্যই সবচেয়ে বড় সমস্যাটা হচ্ছে যে, ১০ মাসেও উপদেষ্টাদের কাজের সফলতা, রাষ্ট্র সংস্কারে যথাযথ পদক্ষেপগ্রহণ, গণহত্যার বিচারে তৎপরতা পরিলক্ষিত হচ্ছেনা। এক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের পারফরম্যান্স, আন্তর্জাতিক ইমেজ দিয়ে সবকিছুর পরিবর্তন হবেনা। ভাল টিম না পেলে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হওয়া যায়, কিন্তু ম্যাচ জেতা যায় না। ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস স্যারের এই দুর্ভাগ্য যে, তিনি নিজে ভাল খেলতেছেন, কিন্তু ম্যাচ জেতানোর প্লেয়ার পাচ্ছেন না। একারণেও ১০ মাসে কোন সংস্কার হয়নি।
রাশেদ খানের এই পোস্ট পড়ে প্রথমেই মন্তব্য করেন, মিস্টার মাসুম হাসান। তিনি তার মন্তব্যে বলেন, রাশেদ ভাই আপনের সমস্যা আপনার মতো করে তো সব হবে না। আপনি কি কখনও মাল ইম্পোর্ট করেছেন কত হাই কোর্ট দেখাই সেটা আগে জানেন। আরও পড়ালেখা করার দরকার আসে। ১০ মাসে আপনার দল ও অন্যান্য দল এর গ্রহণ যোগ্যতা কোন জাগায় আসে সেটা দেখেন। দেশের কথা চিন্তা করেন আপনার আমার সন্তান কি আবার রাস্তাই প্রাণ দিবে। নিজের চিন্তা করলেন । এই কয়দিন আগে সরকারি করজে বিদেশ গেলেন টা কি শিক্ষা নিলেন টা তো দেক সি না ওরা তো এমন এফবি তে ছবি পোস্ট করার জন্য নিয়ে যাই নাই।
পাশাপাশি আরেক মন্তব্যকারী মোস্তফা নাজমুল সাকিব লিখেন, শাহজালাল এয়ারপোর্ট এর ground handling কেমন যারা বিদেশে যাতায়াত করেন তারা সবাই জানেন। পৃথিবীর অন্যতম বাজে এয়ারপোর্ট। এই এয়ারপোর্ট কে উন্নত করার জন্য অনেক বার অনেক চেষ্টা হয়েছিল। কিন্ত কোন কিছুই করা সম্ভব হয় নাই। France 1988/89 সময়ে এই এয়ারপোর্ট লিজ নিতে চায়। তখন দিলে আমাদের এয়ারপোর্ট উন্নত হয়ে যেত আর আমাদের খাওয়া বন্ধ হতো। তাই আমরা দিলাম না। জাপান অন্তত 20 বছর ধরে এই এয়ারপোর্ট এর ground handling এর কাজ নিতে চায়, কিন্ত ঐ যে, কাজ দিলে আমাদের এয়ারপোর্ট উন্নত সার্ভিস দেবে আর আমাদের খাওয়া বন্ধ হবে। তাই দেব না। 3rd terminal এর ক্ষেত্রেও একই সমস্যা। চট্টগ্রাম পোর্টের কার্গো, টার্মিনাল handling এর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। চট্টগ্রাম পোর্টের কার্গো, টার্মিনাল handling এ বিদেশী বিনিয়োগ আসলে আমাদের পোর্ট উন্নত হবে আর আমাদের ধান্দা বন্ধ হবে। তাই পোর্টে বিদেশী বিনিয়োগ আসতে দেয়া যাবে না। এই আমরাই আবার নিজেরা বলবো ঐ দেশ, সেই দেশ এত উন্নত। আসলে আমাদের দেশ যত দিন আমলা, রাজনৈতিক বাটপার ও অতি লোভী ব্যবসায়ীদের হাতে থাকবে ততদিন এই দেশের কোন কিছুই পরিবর্তন হবে না।
আরেক মন্তব্যে এমডি ইবরাহীম হোসাইন বলেন, বন্দর যদি ভালোভাবে বিদেশী কোম্পানি দিয়ে পরিচালনা করা হয় তখন তো এই রাজনৈতিক ভাবে যেগুলো দুর্নীতিবাজ ওদের ইনকাম বন্ধ হয়ে যাবে । আর বিএনপি আর আওয়ামীলীগ এগুলো জন্মগতভাবেই দুর্নীতিবাজ দল এদের কোনো নীতি নেই। আর বিচার বিভাগ তো পুরোটাই বিএনপির দলীয় করন করা হয়েছে। এদেশে কোনো সংস্কার হবে না আসলে কারণ দেশের এখন মূল শত্রু এই বিএনপি দুর্নীতিবাজ গুলো। এগুলো এই দেশকে আগেও ৫ বার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করেছে। এখনো আবার করবে । যারা এদের সাথে গলা মিলিয়ে কাজ করবে এরাও ওই ট্যাগ এর আওতায় পড়বে। প্রত্যেকটা কাজে বিএনপির এই দালাল গুলো বাধা দিচ্ছে ওদের কাছে এই ছেলের প্রাণের কোনো দাম নেই এরা শুধু আছে কিভাবে দেশকে লুটেপুটে খাওয়া যায়।
মহ রহমান তার গঠন মূলক মন্তব্যে বলেন, ফালতু যুক্তি আপনারআর এতো ঘন ঘন স্টাটাস মারেন কেনো আপনে। শুধু স্টাটাস মারলেই বড় নেতা হওয়া যাবে?
সংস্কার কেমনে করবে নতকী থেকে রিক্সওয়ালা সবাই দাবি নিয়া যায় এই বেডা ইউনুস কামডা করবে কখন।
বন্দর আর কোরিডর নিয়ে স্টাটাস দিয়ে আপনিও ইমোশনাল ব্লাকমেইল করতেছেন।
অন্যবিশ্বের বন্দর কারা চালায় জানেন কিছু?
খালি দেশ ওরে দিয়ে দিলো তাদের দিয়ে দিলো এইতা করেই পিছায়ে আছে বাংলাদেশ আপনাদের মতো রাজনীতিবিদের কারণে।