মা যেমন সন্তানকে বিপদে রেখে যায় না তিনি তাই করেছেন।দগ্ধ’ শরীর নিয়েও নিজের সন্তানের মতো শিক্ষার্থীদের ছেড়ে যাননি তিনি। বরং ২০-২৫ জন শিক্ষার্থীর প্রাণ বাঁচানোর উছিলা হয়ে উঠেছিলেন।
মাইলস্টোন স্কুলের সেই সাহসী শিক্ষিকা মেহরীন চৌধুরী…লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় রাতে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন।
ফেসবুকে একটি লেখা দেখলাম।মাইলস্টোন কলেজের মাহারিন আপু প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভাতিজি!
রাজনৈতিক পরিচয় কখনো দিতেন না। বিএনপি চেয়ারপারসন যখন অসুস্থ হতেন নিজে খাবার নিয়ে যেতেন তিনি। যেখানে বিএনপির বাঘাবাঘা নেতারাও যেতে পারতেন না গ্রেফতারের ভয়ে। সেখানে মাহিরিন চৌধুরী যেতেন। কারাগার থেকে হাসপাতাল সবখানে।
বাইরের মানুষ তাকে চিনতেন তিনি মাইলস্টোন কলেজের কো-অর্ডিনেটর। কিন্তু তার আড়ালে তিনি ছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদরের ভাতিজি। আপন ভাইয়ের মত তিনি মামাতো ভাই মহিদুর রহমান চৌধুরীর (তিনি এম আর চৌধুরী নামে পরিচিত)তার মেয়ে তিনি। মিডিয়া ফোকাসের জন্য আজ অনেকেই অনেক কিছু করেন কিন্তু এই পরিবার কিংবা শিক্ষিকা মাহিরিন আপু কখনোই নাকি কোনো ক্যাডিট নেওয়ার জন্য প্রচারে আসতেন না।
বিএনপি পরিবারের মেয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের বংশধর সে তো এমন দরদী এবং সাহসী মা হওয়ারই কথা।
মরে গিয়েও তিনি বেঁচে থাকবেন কোটি বাঙালির হৃদয়ে। এই শিক্ষিকার জন্য রইলো অতল শ্রদ্ধা ও সালাম। মহান আল্লাহ তাআলা আপনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন। আমিন…কপি পোস্ট