জেন-জিরা চায় পুরনো সংস্কৃতি একেবারেই মুছে ফেলুন।মেগা মেগা রাজনীতিবিদগণ প্রশ্ন তুলছেন ডাকসু নির্বাচনে শিবিরে ভোট দিয়েছে এক্স আওয়ামী। আর তারজন্য দোষারোপ করা হচ্ছে শিবিরকে।জেন-জিদের সেন্টিমেন্টাল এখানেই কাজ করে।
কৌশলগত রাজনীতি করতে আপনাকেতো নিষেধ করেনি কেউ। আপনি আছেন নিজেকে ফেরেস্তা দাবী করে অন্যের সমালোচনায় উঠে পড়ে লাগতে। এসব জেন-জিরা বুঝে। আর এরই ধারাবাহিকতায় ডাকসুর নির্বাচনের অপ্রত্যাশিত ফলাফল জেন-জেড আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো।
এরপরও আমরা ফুস করে বলে ফেলি যাতা। পুরনো যারা আছেন বয়সের ভাড়ে পারছেন না,সেসকল নেতাদের উচিত নতুনদেরকে জায়গা করে দেওয়া। সে হতে পারে আপনার পরিবারের যোগ্য কেউ অথবা আপনার হাতে গড়া অন্য কেহ যারা জেন-জিদের আকাং্খা বুঝেন।
আজ দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে জেনারেশন জির অবস্থান তুংগে। সবকিছু দেখেও আমাদের দেশের বিভিন্ন দলের বিজ্ঞ রাজনীতিবিদগণ তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে উড়িয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু এটাই সত্যিই জেনারেশন জির একতা আর তদ্যামের কাছে পুরনো সব ঐক্যই তুচ্ছ।
২৪ শের জাগরণ এটা আমাদের অনেক বড় একটা প্রাপ্তি যেমন প্রাপ্তি ছিলে স্বাধীনতা যুদ্ধ ১৯৭১। আর এই প্রাপ্তিতে যারা অগ্রগণ্য ভুমিকা রেখেছেন তারা অগণিত ছাত্র সমাজ। আন্দোলনের প্রত্যেক ভূমিকায় ছিল ছাত্রসমাজ তার সমর্থন যুগিয়েছন জনতা রাজনৈতিক মহলের লোকসকল।
এই যে সহস্র প্রাণের বদৌলতে যে প্রাপ্তি ত@ নিয়ে যদি নানান রাজনৈতিক দল নানানভাবে ইস্যু তৈরি করে তাদেরকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয় তবে জেন জিদদের সেন্টিমেন্ট এখানেই কাজ করে।