জামালপুর জেলার গর্ব চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম
রিপোর্টারের নাম
/ ৮২
জন দেখেছে
আপডেট :
সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫
শেয়ার
মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর। ২০২৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাকে অ্যাটর্নি জেনারেলের পদমর্যাদায় ট্রাইবুনালের প্রধান কৌঁসুলি হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেন। এর পূর্বে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ১৯৭৩ সালে ২৫ শে মার্চ (বয়স ৫২) জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি জামালপুর জিলা স্কুল থেকে এসএসসি এবং পরবর্তীতে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। ১৯৯৫ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি এবং ১৯৯৬ সালে এলএলএম ডিগ্রী লাভ করেন।
তাজুল ইসলাম ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে নিবন্ধিত হওয়ার পর তার আইনি পেশা শুরু করেন এবং ১৯৯৯ সালের ৩০ জানুয়ারি বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী হিসাবে তালিকাভুক্ত হন। ২০২৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের পদমর্যাদায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চীফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিযুক্ত হন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সম্পাদনা:
তাজুল ইসলাম ছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতাদের অন্যতম আইনজীবী, যিনি ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাকের সাথে কাজ করেছেন। তিনি ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জামায়াত নেতা আব্দুল কাদের মোল্লার পক্ষে প্রতিরক্ষা আইনজীবী হিসেবে কাজ করেন। এছাড়াও, তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের মহাসচিব আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের পক্ষে প্রতিরক্ষা আইনজীবী ছিলেন, যিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ছিলেন।
মার্চ ২০১৫-তে তাজুল ইসলামকে বাংলাদেশ পুলিশ সাময়িকভাবে আটক করেছিল।
তাজুল ইসলাম একজন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সালে সরকারের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। তার নিয়োগটি আইন মন্ত্রণালয়ের গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়, যা তাকে অ্যাটর্নি জেনারেলের মর্যাদা প্রদান করে।দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি আমার বাংলাদেশ পার্টির যুগ্ম আহ্বায়কের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তাজুল ইসলাম পূর্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জামায়াতে ইসলামীর বেশ কয়েকজন নেতার পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
নিয়োগের পর, তাজুল ইসলাম তার সামনে থাকা চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরেন, যার মধ্যে রয়েছে উচ্চ প্রোফাইল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের জড়িত মামলাগুলোর পরিচালনা। তিনি প্রমাণ সংগ্রহ, সংকলন ও উপস্থাপনার জটিলতার উপর জোর দেন এবং নতুন বিচারক ও তদন্তকারীদের নিয়োগের মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালের টিম পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।