• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনাম:

১৩ নভেম্বর কী ঘটতে যাচ্ছে? কেন মাঠে নামছে সেনাবাহিনী

রিপোর্টারের নাম / ৮৪ জন দেখেছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫

১৩ নভেম্বর ঘিরে কোন শঙ্কা নেই, ঢাকাবাসীই রুখে দেবে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।

আগামী ১৩ নভেম্বরকে সামনে রেখে তার প্রশাসনের দিক থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি রেখেছেন ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ডিএমপির এই কমিশনার বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ডাকা আগামী ১৩ নভেম্বরের লকডাউনের কর্মসূচি ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে যে আশঙ্কার কথা বলা হচ্ছে আমি আশ্বস্ত করে বলতে চাই, শঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নাই। ঢাকাবাসীই এই নাশকতা রুখে দেবে।’

শেখ মো. সাজ্জাত আলী আরও বলেন, ‘মোটরসাইকেলে এসে একটি বা দুইটি ককটেল মেরে যারা পালিয়ে যাচ্ছে, অনতিবিলম্বে আমরা তাদেরকে খুব দ্রুত গ্রেফতারের আওতায় এনে ফেলবো।’

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘ঢাকাবাসীই এই নাশকতা রুখে দেবে। অতীতে যেসব স্বৈরশাসকের পতন হয়েছে, সেসব দলের নাশকতা ঢাকাবাসীই মোকাবেলা করেছে। এবারও ঢাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও অন্যান্য সংস্থা সম্মিলিতভাবে এটাকে রুখে দেবে। ভয়ের কোনো কারণ নেই।’

নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার হবে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ১৩ নভেম্বরে এর আরও বাড়নো হবে। এ ব্যাপারে প্রতিনিয়ত পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত দলের অনেককেই গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।’

ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীকে প্রশ্ন করা হয় , ইতোমধ্যেই অনেক সন্ত্রাসী ছাড়া পেয়ে তারা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে, ডিএমপি সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ঢাকা মহানগরীতে অপরাধ খুবই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল-মে মাসে যে হারে ছিনতাইসহ অন্যান্য অপরাধ হচ্ছিল, সেসব ঘটনার ব্যাপক উন্নতি ঘটেছে।’

‘গত এক বছরের বেশি সময় ধরে পুলিশ রাস্তার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাতেই ব্যস্ত সময় কাটিয়েছে। এমন কোনো গোষ্ঠী নেই যে তারা দাবি-দাওয়া নিয়ে রাস্তায় নামেনি। কিন্তু পুলিশ কোনো মারণাস্ত্র ব্যবহার বা লাঠিপেটা না করেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে,’ বলে দাবী করেন তিনি।

কমিশনার বলেন, ‘ঢাকা মহানগর পুলিশের নীতি হলো পুলিশ কোনো মানুষকে লাঠিপেটা করতে চাই না। নিতান্তই প্রয়োজন হলে পানি ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়েছে, যেটা আপনারা শিক্ষকদের আন্দোলনের ক্ষেত্রে দেখেছেন।’

উচ্চ আদালতে নিরাপত্তা নিয়ে আইনজীবীদের শঙ্কা আছে, বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘উচ্চ আদালত মানুষের বিচার পাওয়ার জায়গা। সেখানে যেতে আমরা কাউকে বাধা দিতে চাই না। তবে ১৩ নভেম্বরের আগেই সেখানে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেবো। তবে আমরা এমন কিছু করতে চাই না, যেটাতে বিচারপ্রার্থীরা হয়রানির শিকার হন।’

সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা পুরো ঢাকা মহানগরীকে একটা নেটওয়ার্কের মধ্যে আনার জন্য কাজ করছি। ঢাকাকে স্মার্টসিটি হিসেবে গড়ে তুলতে একটা প্রকল্পও হাতে নেওয়া হয়েছে। এখানে আর্থিক বিষয় আছে, প্রায় ১২০০ কোটি টাকার প্রকল্প এটি। এই প্রকল্পটি পাস হলেই পুরো শহর সিসি ক্যামেরার আওতায় চলে আসবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

Archive Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১