অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, এদেশের রাজনীতিতে ন্যায় অন্যায়, ভালোমন্দ কিংবা উন্নত অবনত’র কোন বিচার বিশ্লেষণ নেই। জনগণকে ধোঁকা দিতে হবে ব্যাস এটাই সত্য। কাতারের মত উন্নত দেশের তাও আবার রাষ্ট্রীয় সৌহার্দ্যতায় এয়ার এম্বুলেন্স বাংলাদেশের মাটিত্র নেমেই কি দুষিত হয়ে গেলো। কে জানে হতেও পারে! কিন্তু এতোশত বানোয়াট গল্পের মাঝেনা চিরন্তন সত্যটাও ঢাকা পড়ে যায়।
আসলে কী হচ্ছে দেশনেত্রীর মত অবিসংবাদিত নেতাকে নিয়ে? উনার রাজনৈতিক জীবনে বিসর্জ্জনের অংকটা কি এখনও ভারি হয় নাই? আর কত বিসর্জন দিলে এদেশের রাজনীতিতে উনি স্বীকৃতি পাবেন! জানতে ইচ্ছে করে এদেশের জন্য রাজনীতিতে কার হিসেবের অংকটা ভারি?
কিভাবে উন্নত হবে দেশ। বারবার রক্ত দিয়েও এদেশ থেকে দুর্নীতি সরানো যাচ্ছেনা। যাকে দিয়ে দুর্নীতি ঠেকাতে চায় দেশ দেশের জনগণ সেই দুর্নীতি আখড়া পেতে বসে। বিএনপিকে কোনঠাসা করার এই যে অপচেষ্টা এতে করে কি হচ্ছে বিএনপিকে ঠেকানোর বদলে আরও জনমনে জায়গা করে নেবার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।
গত ফখরুদ্দিন সরকারের আমনে প্রথমে বিএনপির কাছেই ধন্না ধরা হয়েছিল। শর্ত দেওয়া হয়েছিল বিতর্কিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে সেফ এক্সিট দিতে হবে। কিন্তু মানবতার মানসকন্যা গণতন্ত্রের মা জননী তিনি সেই অনৈতিক শর্তে কম্প্রোমাইজ করেননি। কম্প্রোমাইজ করেছিলো আওয়ামী লীগ। আজ দীর্ঘ সময় পরে হলেও তার পতন হয়েছে একটা জঘন্য প্রেক্ষাপটে। এতে করে দীর্ঘ পনেরটি বছর বেগম খালেদা জিয়াকে অমানবিক অমানসিক কষ্ট ভোগ করতে হয়েছে। তবু সেদিন তিনি ক্ষমতার লোভ করেননি মিথ্যের সাথে আপোষ করেননি।
আমরা আমাদের মায়ের প্রকৃত তথ্যের প্রত্যাশা করছি সমগ্র বাংলাদেশ বাংলাদেশের দলমত নির্বিশেে প্রতিটি মানুষ। নির্মমসত্যটা জাতি জানতে চায় দেশনেত্রীকে কেন এয়ার এম্বুলেন্স রেডি থাকার পরও লন্ডনে নিতে কালবিলম্ব করা হচ্ছে।