নির্বাচনের আগে আমি লিখেছিলাম ইন্টেরিম সরকারে যারা ক্লিন ইমেজ বজায় রেখে দক্ষতার সঙ্গে ক্রুশাল পরিস্থিতিতে কাজ করে গেছেন, পরবর্তী সরকার তাদের দক্ষতার বিষয়ে কাজে লাগানো উচিত।
আমি ওই পোস্টে স্পেসিফিকভাবে ২জন কম্পিটেন্ট মাইন্ড নিয়ে লিখেছি। আশিক চৌধুরী এবং লুতফে সিদ্দিক, কেন তাদেরকে রেখে দেয়া উচিত লিখেছিলাম। সেই পোস্টে রিচ হয়েছে ২মিলিয়ন অর্থাৎ প্রায় ২০লাখ মানুষের কাছে গেল।
বিএনপি সরকার গঠন করবার পর থেকেই আমি কৌতুহল নিয়ে দেখছিলাম বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান পদে কী কাহিনি ঘটে, তারেক রহমান আশিক চৌধুরীকে সরিয়ে দেন কিনা, নাকি রাখেন।
দেখা গেল তারেক রহমান ফার্স্ট মিটেই আশিক চৌধুরীকে দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা সেট করতে বলেছেন। এর মানে হলো তিনি আশিক চৌধুরীর ব্রেইনকে কাজে লাগাতে চান। আশিক ব্রিলিয়ান্ট চিস, তারেক রহমান রিয়েলাইজ করতে পেরেছেন।
তারেক রহমানের সঙ্গে ১ মাসে বিভিন্ন মিটিংয়ের অভিজ্ঞতা আজকে তুলে ধরেছেন আশিক চৌধুরী।
মাত্র ১ মাসের অভিজ্ঞতায় আশিক চৌধুরী বলতেছেন, উনি তারেক রহমানের লিডারশীপ ক্যারেক্টারে মুগ্ধ।
তারেক রহমানের ভেতর যে গুণ তিনি খেয়াল করেছেন, তা হলো প্রথমত তিনি কাউকে কিছু চাপিয়ে দিচ্ছেন না। সবার কথা ধৈর্য নিয়ে শুনছেন। দ্বিতীয়ত সবার সঙ্গে ওরিয়েন্টেড আলোচনা করতেছেন তিনি।
‘আপনার এই পরিকল্পনায় কী ফল পাওয়া যাবে এবং কত দ্রুত ফল আসবে। ভালো ও মন্দ ইমপ্যাক্ট কী হতে পারে!’
‘এ কাজে জনগণ কীভাবে উপকৃত হবে?’ ইত্যাদি।
আশিকের ভাষায়, তারেক রহমান দৃষ্টান্ত স্থাপন করার মতো নেতৃত্ব দেয়ার চেষ্টা করছেন। সবাইকে তিনি কাজের তাগদা দিচ্ছেন একইসঙ্গে সমায়নুবর্তিতা, অনাড়ম্বর মানসিকতা ও শিষ্টাচার, এসব নিজেই চর্চা করছেন; অন্যদেরও উৎসাহিত করছেন।
গতকাল আশিক চৌধুরী তার ৬ মাসের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেছেন তারেক রহমানের কাছে। এবং ৬ মাস পর তাদের কাজের সফলতা ও ব্যর্থতা নিয়ে আবার মুখোমুখি হবেন।
বৈশ্বিক অস্থির পরিস্থিতিতে বিদেশী বিনিয়োগের পাশাপাশি দেশি বিনিয়োগের প্রতি মনোযোগ সরকারের। বেকারত্ব দূর করতে অধিক কর্মসংস্থান তৈরি করা সরকারের মূল লক্ষ। যা তারেক রহমান নির্বাচনী ইশতেহারে কমিটমেন্ট দিছেন।