• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনাম:

স্বাধীনতা || হাসিদা মুন

রিপোর্টারের নাম / ১০২ জন দেখেছে
আপডেট : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬

নিপীড়ক আদালতে আসে, আসে প্রসিকিউটর
তিনিই বিচারক এবং জুরি -এখানে প্রকৃত জয়’
অথবাতে – হার’ নেই,কেস কেটে গুটিয়েও গেছে।
আসামি একা দাঁড়িয়ে,প্রসিকিউটর নিজেকেই
সাক্ষী হিসাবে ডাকেন।
বিচারক নিজের তৈরি আইনটিকেই সমর্থন করেন
এটি তার পছন্দ মতো পরিবর্তিতও হয়
জুরি শুধু একটি মাত্র শব্দ জানেন -‘অপরাধ’
কার বা কিসের ? তা অস্পষ্ট…

কবিতা ধনুক বাণ,মনের তিক্ততায় তাক্ করা
এ কলম বর্শা ,বাক্যগুলি ছুরি -পেটানো ব্র্যান্ডিং লোহা
স্বার্থ অন্বেষণে রাজনিতীক,বক ধার্মিক ঠগবাজ
কতৃপক্ষের দিকে রাগের সাথে টিপানো তীর
রক্ত ​​এবং পিত্ত দিয়ে লেখে রাখা নির্ভুল লিপিকা …

কিছু কালি রক্ত-লাল চিহ্ন তৈরি করে চলেছে
ক্ষত থেকে দুর্নীতি,বিষবৃক্ষ থেকে বিষরস’ নিয়ে
এ কবিতা হোক ব্লাক কোবরা বা লক্ষ্য স্থিরচিত্রে
সুতানালী সাপ।
যে আমাদের শিশুদের বিগত ভুলকে ভাঙাবে 
তাকিয়ে দেখো,রক্ত- চামড়ায় মাখা ত‍্যাগ তিতিক্ষা
মুক্তি, সে কোথায় ?
সাপ -নিপীড়ক -বিচারক-জুরি- সামনে প্রজন্ম …

নিজেকে সর্বদা মাথার দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে
কবিতা বন্দুক আর শব্দগুলোই গোলাবারুদ।
কবিতাটি এমন গল্প বলে,যা- সেন্সর করা না,
এই কবিতাটি বিক্রির জন্য বসেও নেই কেউ।
একে পুরুষ কিংবা নারী হিসাবে ভাবা যায় না,
পয়সা দিয়েও সুলভ মূল্যে কিনে ফেলা যায় না …

গোয়ালের গবাদি পশুদের কেনা যায়-বেচা যায়।
কেউ অফার করবেও না টাকা,পার্সে ফেরত রাখো
তবে তা শুনতে পারবে, যা সবাই শুনতে পারে।
শুধু মহান নয় বরং ভালো, শান্তি শৃঙ্খলা নয়-
বিচারক,জুরিগণ শোনো,প্রসিকিউটর শোনো,
পুলিশ আইন প্রয়োগকারীর সদস্যরা শোনো।
বাঙালিরা পাশে এসে দাঁড়াও- মন দিয়েই শোনো
হে মিথ্যাবাদী ভন্ড ধর্মচারীরা তোমরাও শোনো।
যারা সমাজে,দেশে অত্যাচার করে বেড়াও শোনো,
আমি চাই তোমরাও শুনো,কথাটা শুনেই দেখো
যেনো আমি এক শান্তি পতাকার পক্ষেই কথা বলি
যে পক্ষে রয়েছে সব রঙ নিংড়ানো – লাল সবুজ …

আমি সমগ্র মানুষের জন্য বলছি -একজন মা’
যার কণ্ঠস্বর বন্ধ ছিলো,
যার মুখ এঁটে রাখা ছিলো
কারণ এ মাটি বলেছিলো মা’, না!’ জুলুম মানি না ।
প্রসিকিউটরের কাছে,বিচারক জুরির কাছে,
অন্যায়ের কাছে,অসম্মান ও নিপীড়নের কাছে –
‘না!’ …

ভেবে নিও না যে, আমি মার খেয়েছি,আমাকে দুর্বল
হতভাগ্যও ভাববে না ,আমি কারো দাসত্বে নই,
নিঃস্ব নই, যদিও তারা আমাদের কাছ থেকেও –
চুরি করেছে অনেক কিছুই-সম্পদ প্রতিপত্তি ।
বাড়ি কেড়ে নেওয়া হলেও আমি বাড়ি ছাড়া নই,
আমাকে কেউ করুণা করো না ,একথা ভাববে না
আমি কোনো গৌরবের বা সুযোগ পাবার আশায় ।
অন্য গাল ঘুরিয়ে দিয়ে বলবোও না যে আমি বোকা –
থাপ্পড় মারতে পারো।
দেখার সুযোগ দেইনি,দেখিনি কে ঘৃণা করবে,
যদি কেউ কাউকে মেরেই ফেলতে পারে- পারুক !
আমাকে মনে করবে না-সেই মানুষটির মতো
যার কেউ নেই-
বন্ধু ,পরিবার নেই, মিত্র নেই, সমর্থক নেই…

মানুষের বৃত্তটি দেখো ,মানুষের সমস্ত জাতি
বর্ণ, ধর্ম পরিশেষে ন্যায়বিচারের জন্য আহ্বান।
আমার কথা যদি বলি, এখন আমি খুব ক্ষুধার্ত
তার মানে – ন্যায় এবং ন্যায্যতার জন্যই ক্ষুধার্ত ।
আমি যদি বলি বাঁধা,মানে মিথ্যার সমস্ত বাঁধা
আমি যদি বলি আমি অন্ধ-আপোস করতে অন্ধ …!

আমাকে তেমন কেউ চেনে না,তারা ঠিক জানে না
আমি কি কষ্ট পেয়েছি দূর্বিসহ এই -অনাচারে ।
যা সমস্ত চিন্তাভাবনাকে অন্ধকার করে দেয়,
তবুও কিছু নিখাদ ভাবনা বাকি –
আমাদের ঘুম স্বপ্নহীন
আমাদের মন ফাঁকা
আমাদের স্বপ্ন সমৃদ্ধ –
চিন্তাকে পরিষ্কার করে -একটা পথ দেখতে চাই …

যে পথে অনেকেই হেঁটেছেন,এটাকে বলা হয়
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার -স্বাধীনতার পথ।
আমি চাই সেই কথা বলো,সেই প্রজ্ঞাতেই চলো
শোনো,যারা আমাকে শুনছো তারা সবাই আমার
মতো করে হৃদয়ের কথা শোনো- কবি ও বন্ধুরা –
জানি বুঝবে, যারা ন্যায়ের জন্য জোরে জোরে কাঁদে,
চিৎকার করে কথা বলে ,প্রতিবাদ করে তারা
কখনই মাথা নত করবে না -শিকল ও বেড়ির কাছে…

এই কবিতা একটি আয়না,যা আমরা ধরবো
দেখাতে – দেখতে,অজ্ঞানতার চেহারা কেমন?
আত্মপ্রতারণার গভীরতায় রয়েছে কতোটা !
প্রতিফলনের মধ্যে রয়েছে কতোটা নিকৃষ্টতা ।
বিচারক এবং বিচার প্রার্থীদেরকে দেখানোর
জন্য -যে বিশ্ব তাদের কী নিকৃষ্টতম ভাবে দেখছে
যে দেশে মানুষ মানুষের বেদনায় আনন্দ পায়।
হাসিকে বিকৃত করে -সত্যের কণ্ঠস্বর রোধ করে …

তোমরা
কবিতার কন্ঠ খুঁজে পেতে সাহায্য করো,
তোমরা
কবিতার উদ্দেশ্য পরিষ্কার করে দেখো,
তোমরা
কবিতার পথকে জানো স্বচ্ছ আলোর পথ।
আমার
কবিতার লক্ষ্য- মানুষে মানুষে সমতা ।
কবিতার পাসওয়ার্ডটি মনে রাখো- ‘স্বাধীনতা’ …


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

Archive Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১