যমুনার তীরবর্তী যাদের বসবাস ভাংগা আর গড়ার মধ্য দিয়ে জীবনযাপন। রাস্তা নেই ঘাট নেই কুল নেই কিনার নেই আছে শুধু হতাশা আর হতাশা।
দিনভর রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষগুলো যে টুকু ফসল পান সেটুকুও চলাচলের রাস্তাঘাট না থাকায় যৎসামান্য মুল্যেই তা মহাজনদের কাছে বিক্রি করে দিতে হয়।
মৌসুম শেষ খরছের মাত্রা গণণা করলে দেখা যায় প্রবাদ বাক্য অনুযায়ী বলতে হয় ‘যা বুনলাম তাই পাইলাম মধ্যতন নয়া ধানের ভাত খাইলাম”
বস্তত চরাঞ্চলের মানুষগুলোর জীর তার চেয়েও কঠিন। অনেক বছরের স্বপ্ন চরাঞ্চলের মানুষের মনে বগুড়া শারিয়াকান্দি হয়ে মাদারগঞ্জ জামালপুর অঞ্চলের উপর দিয়ে দ্বিতীয় যমুনা সেতু হলে এ অঞ্চলে মানুষের ভাগ্যের ব্যপক পরিবর্তন হতো।।
জানা গেছে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু এবং দ্বিতীয় যমুনা সেতু—উভয়ই নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে সম্প্রতি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন যে, দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু নির্মাণের বিষয়ে প্রাথমিক প্রক্রিয়া ও সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের (ফিজিবিলিটি স্টাডি) কাজ চলছে।
প্রস্তাবিত এই সেতুটি বর্তমান যমুনা সেতুর ওপর অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ কমানোর জন্য নির্মাণ করা হবে। নতুন সেতুর সম্ভাব্য অবস্থান হিসেবে সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল ছাড়াও বগুড়ার সারিয়াকান্দি থেকে জামালপুরের মাদারগঞ্জ, কিংবা গাইবান্ধার বালাসীঘাট থেকে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ রুটের কথা বিবেচনা করে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে।
দ্বিতীয় পদ্মা সেতুটি মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া এবং রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ার মধ্যে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। সরকার ২০৩২ সালের মধ্যে এটি বাস্তবায়নের প্রাথমিক লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।অর্থায়ন ও অগ্রগতি: বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী, বড় এই অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর প্রাথমিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এগুলো বাস্তবায়নে চীনা অর্থায়নের ব্যাপারে সরকারের নীতিগত আলোচনা ও পর্যালোচনা চলছে।