ঈশ্বরের শহর ছেড়ে আজও ফের নেমে এসেছি নিচের ধুলো মলিন মাটিতে এই কিছুক্ষণ আগে, টার্নপাইকের রাস্তা ধরে আমার খোলা দরজা দিয়ে অতীত চলে গেছে বহুদূর এ পর্যন্ত যার গন্তব্যও খুঁজে বিস্তারিত
আমার অনুপ্রেরণা মাদার টেরেসা। ১৯৯৭ সালে মাদার টেরেসার মৃত্যু আমার হৃদয়কে নাড়িয়ে দিয়েছিল। নিরক্ষর দিনমজুর পিতার জ্যেষ্ঠ পুত্র। শৈশব কেটেছে ভয়াবহ দারিদ্র্যতার মধ্যে। বাবার দৈনিক মজুরি ছিলো তখন ১০ টাকা।
জগতের প্রান্তগুলো ছুঁয়ে কাছে এলো একনাগাড়ে চেয়ে থাকা আমার দৃষ্টি পর্দা দিয়ে গভীরতা ঢাকা রহস্যের ভিতরে জমা বিকৃত সত্যগুলি দেখি উপলব্ধির চোখে মন মাতানো প্রতীক আকাশের মেঘ দিয়ে আকাশ মেঘলা
যখন বৃষ্টি না হবে অরণ্যকে কি দেবে তুমি শুস্ক উত্তাপ? প্রখর রৌদ্রতাপে অরণ্যের পত্রপল্লবে যখন মরণের ডাক হবে নিশাচর হয়ে তুমি কি দিবে আর বলো একটা প্রত্যাশিত হৃদয়ে হাহাকার? মৃত্যুর
জগতের প্রান্তগুলো ছুঁয়ে কাছে এলো একনাগাড়ে চেয়ে থাকা আমার দৃষ্টি পর্দা দিয়ে গভীরতা ঢাকা রহস্যের ভিতরে জমা বিকৃত সত্যগুলি দেখি উপলব্ধির চোখে মন মাতানো প্রতীক আকাশের মেঘ দিয়ে আকাশ মেঘলা
নিত্যই মাটির মানচিত্রে কত খুজি তোমাকে শহরের অলিগলি কিংবা অরণ্যে, কখনও সরোবরে বোকা আকাশটানা নির্বাক চেয়ে থাকে বাতাসটাও-চঞ্চলতা হারিয়ে দিকবিদিকশুন্যে থমকে দাঁড়ায়! মাঝে মাঝে মনে হয়, “বেনসন-হেজেসের” মত নিজকে পুড়ে