এরকম ধর্ষক নামের আরো যত নিকৃষ্ট প্রাণী আছে, যে যেখানেই থাকুক তাদেরকে পাকড়াও করে দ্রুত বিচারের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
ইমাম, খতিব ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বসহ সমাজের সচেতন নাগরিকদেরকে ধর্ষকদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।
ধর্ষকদেরকে ঘৃণা করুন ও সামাজিকভাবে বয়কট করুন।
গুরুত্বপূর্ণ এই কথাগুলো লিখেছেন ডা. শফিকুর রহমান, আমীর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বরাবরের মত এবারও তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনগণকে সোচ্চার হওয়ার আহবান জানিয়ে ধর্ষক আর সহযোগী যেই হোক না কেন সমান অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করার জোরদাবী জানান।
জনাব ডা, শফিকুর রহমান তার ভেরিভাইড ফেইসবুকের এই স্ট্যাটাস এর বিপরীতে অসংখ্য মানুষ মন্তব্য করেছেন।
এ প্রসংগে বাহারুল ইসলাম গভির আক্ষেপ করে তার মন্তব্যে লিখেন: ‘কেউ কোরআন পোড়ালে, ইসলামী হুকুমত নিয়ে ব্যাঙ করলে তোমাদের ক্রোধাগ্নি জ্বলে ওঠে না, বাট কেউ গনতন্ত্রের পতাকা পোড়ালে তোমরা ভয়ঙ্কর হিংস্র হয়ে ওঠো। কেউ যদি আমাদের প্রিয় নবীর বিরুদ্ধে কটুক্তি করে, তাকে নিয়ে ঠাট্রা ও উপহাস করে তখন তারা শান্তি ও নিরাপত্তার কথা শোনায়। মিছিল করা যাবে না, তথাকথিত আলেম সমাজ যারা আতাত করে চলে তাদের কথা হলো হিকমাহ অবলম্বন করতে হবে আশ্চর্যজনক! কিন্তু তাগুদী ব্যবস্থা গনতন্ত্রের বিচার বিভাগের বিরুদ্ধে যদি কেউ কটুক্তি করে, অবমাননা করে, তো গোটা শক্তি হামলে পড়ে। আল্লাহর প্রদত্ত আইনকে কে যদি কেউ হিংস্রতা ও পাশবিক বলার মতো ধৃষ্টতা দেখায় তাহলে তারা অতি আনন্দে সংসদে বসে থাকে! কিন্তু কেউ যদি এই গনতান্ত্রিক তাগুদী আইনের বিরুদ্ধে মুখ খোলে তাকে শুধু সংসদ থেকেই নয়, বরং পৃথিবী থেকেই বিদায় করে দেওয়া হয়! মুসলমানদের বিরুদ্ধে কাফেরদের সহযোগিতা করা, গনতন্ত্রের দৃষ্টিতে কোন অপরাধ নয়! কিন্তু কালেমার ভিত্তিতে বিশ্বের যেকোন অঞ্চলে মুসলমানদের দুশমনের বিরুদ্ধে লড়াই করা জ* ট্যাগ। আসলে গনতান্ত্রিক খেলা হচ্ছে পাশ্চাত্যের প্রভুত্ব স্বীকার করে নিয়ে তাদের মন জয় করার একটা এজেন্ডা।’
আল হাসিব তার মন্তব্যে লিখেন: ‘আসসালামুয়ালাইকুম , আপনাদের উচিত এখন গ্রামীন পর্যায়ে ইতিহাসের সর্বোচ্চ প্রচারণা চালানো । কারণ বাংলাদেশের ৬২% মানুষ গ্রাম কেন্দ্রিক । জামায়াতের নিবন্ধন জামায়াত কৈ অবশ্যই ফেরত পেতে হবে । মিজানুর রহমান আজহারী কে আমন্ত্রণ জানিয়ে নিজের দলে জামায়াতে ইসলামী দলে বড় পদ দিয়ে সম্মানের সহিত আনা উচিত । আর জামায়াতের বিরুদ্ধে যেসব ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার হচ্ছে তা একদম শক্তহাতে রুখে দেওয়া উচিত । এগুলো কাজ পুরোপুরি সম্পূর্ণ হলে ইনশাআল্লাহ জামায়াত ইসলামী ও সব ইসলামিক দল ই এবার শাসন করবে বাংলাদেশ।’
এমডি মাসুদুর রহমান মাসুদ লিখেন: ‘মুহতারাম আমীর সাহেব, আসসালামু আলাইকুম আপনি মানবিক বাংলাদেশ গড়ার কারিগার হিসেবে ঢাকায় নারীরা অফিস টাইমে বাসে উঠার জন্য প্রতিযোগিতা করে কর্মসংস্থানে যথা সময়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য। কিন্তু বাসে উঠতে গেলে পর্দাশীন নারী ও মা,বোনেরা অনেক হেনেস্তার স্বীকার হন।
জামায়াতে ইসলামী একটি মানবিক সংগঠন তাই শুধু ঢাকায় বিভিন্ন রুটে নারীদের সন্মানে শুধু মাত্র নারীদের যাত্রীবাহী বাস চালু করলে অনেক জনগণের ভালোবাসা পাওয়া যাবে। ইনশাআল্লাহ’।