মাথার ভিতরে নিজস্ব এক জীবন আছে
সেখানের কণ্ঠস্বর প্রায় কথা বলে ওঠে
সেই আওয়াজে করুণা বা অনুশোচনার
সম্ভাবনা থাকে না
তুখোড় চিন্তায় মন ধারণ করে রাখে
বার বার অতীতের দিকে নিয়ে যায় আমাকে
কখনও হাত ধরে টেনে এনে বর্তমান চেনায়
প্রতিক্রিয়া জানাতেও বাধ্য হয় পুনরায়-
এই তুমি
তুমি এ ই
সেই তুমি
তুমিই তো সে ই …
যখন সে কন্ঠের সাথে মন চিহ্নিত হয়
তার আর অধিকার থাকে না কিছু বলবার
ব্যক্তি মালিকানাধীন সত্তাকে ভুলে গেলে
সত্যের অধিকারী হতে হয়
এটি তখনই কথা বলতে শুরু করে
অধিষ্ঠিত সত্তা স্ব’ নয়
স্বীকৃতি দিতেও ব্যর্থ হয়
ভাবনার খোরাকে চেতনার ক্ষুদ্র দিক
জিগ্গেস করে – আমি কে ?
কি তার সামগ্রিকতা …
মন বাড়িতে বসেই -আরেক বাড়ির স্বপ্ন দেখে যায়
চারিদিকে অস্তিত্বের সর্বজনীন দ্বন্দ্ব
টিকে থাকার স্বীকৃত প্রথম শেখা জীবন
সৃজনশীলতা, ভালোবাসা, মমত্ববোধ
এই মুহুর্তগুলি যাপনকে মূল্যবান করে তোলে
অন্যরা নিয়মিত অহঙ্কারী অবস্থায় আটকা পড়ে থাকে
নিজে চারপাশের বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে
ভালো করে চেয়ে দেখো –
তারা সত্যই দেখতে পায় না
তারা সত্যিকেই শুনছে না
তারা তোমাকে গুনছেও না
কোনও পরিস্থিতিতেই তাদের উপস্থিতি নেই
একসাথে থেকেও ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে
কেউ এমন মাত্রায় বিভ্রান্ত যে হয়তো উন্মাদও হয়ে পড়ে
বিচ্ছিন্নতার অর্থ -নিজের সাথে নিজেই নেই হয়ে থাকা …
অন্য কারো দুর্দশাগুলি স্পষ্টভাবে দেখতে পারা
‘মানুষ’ হবার প্রথম পদক্ষেপ
ঘটে যাওয়া সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ভাবনা –
সচেতনতা বাড়াতে নিজেকেই সচেতন হতে হয়,
মিথ্যা ধুয়াশার বিচ্ছেদ ঘটিয়ে
এসব নিয়ে তখনই কথা বলে ওঠে
নিজের ভিতরের সেই- বক্তা’…