• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৯:৪৮ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনাম:
চলো চলো ঢাকায় যাই, মাদারগঞ্জে রেলপথ চাইঃ নুর মোহাম্মদ নুর জেনারেল এম.এ.জি.ওসমানী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান রাজধানীর পল্লবীর স্কুল ছাত্রী রামিসা হত্যাকান্ডের তীব্র প্রতিবাদ ও ঘাতকের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি ফাঁসির দাবীতে জাগো নারী ফাউন্ডেশন দানবীর আর পি সাহাঃ মানবতার দীপশিখা ও সেবার মহাকাব্য || রোকেয়া ইসলাম একটা ধারা || ফাহমিদানবী স্ত্রীর শখ পূরণে কুমির হয়ে গেলেন স্বামী || মোহাম্মদ আব্দুল জলিল একজন মানুষ কেন কোটি টাকা খরচ করে চেয়ারম্যান হতে চায় লেখালেখি করে কয় টাকা পাওঃ মাহফুজা অনন্যা বদলে যাবার গল্প || ফাহমিদানবী

কিছু রাজনৈতিক দল শুধুই তাঁকে সরানোর ষড়যন্ত্র করছে || প্রিসিলা

রিপোর্টারের নাম / ১০৩ জন দেখেছে
আপডেট : শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫

যে দেশে নিত্যপণ্যের দাম প্রতিদিন আকাশচুম্বী হারে বেড়ে যাচ্ছিল, সেখানে হঠাৎ করে যদি ২০০ টাকার পেঁয়াজ হয় ৪০ টাকা, ৪০০ টাকার কাঁচা মরিচ হয় ৫০ টাকা, আর ১০০ টাকার সবজি হয় মাত্র ৪০-৫০ টাকা, তা এক প্রকার স্বপ্নের মতো।

কিন্তু এটাই বাস্তবতা হয়ে উঠেছে গত ৬ মাসে, কারণ এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন একজনই, নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি শুধু একজন অর্থনীতিবিদ বা সমাজসেবক নন, তিনি একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক। দেশের মানুষের কষ্ট, ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দেখে তিনি চুপ থাকতে পারেননি। তিনি দ্রব্যমূল্যের লাগাম টেনে ধরেছেন, যা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি।
ইলন মাস্কের সাথে চুক্তির প্রচেষ্টা
শুধু দেশীয় বাজারই নয়, ড. ইউনূসের দৃষ্টি আন্তর্জাতিক বাজারের দিকেও। ইলন মাস্কের মতো বিশ্ববিখ্যাত উদ্যোক্তার সাথে চুক্তির চেষ্টা করছেন, যাতে দেশের প্রযুক্তি খাত এবং নবায়নযোগ্য শক্তির উন্নয়ন হয়।
জাতীয় সংগের মহাসচিবকে এনে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা
দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, প্রশাসনিক দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক দুরাবস্থা সমাধানের জন্য তিনি জাতিসংঘের মহাসচিবের সহায়তা চেয়েছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, দেশের প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও রাজনৈতিক দলগুলো সংবিধানের দোহাই দিয়ে তাকে সহযোগিতা করছে না।
কিছু রাজনৈতিক দল শুধুই তাঁকে সরানোর ষড়*যন্ত্র করছে
যে দেশে বিনা অপরাধে মানুষ খু**ন করা হয়, সেখানে ড. ইউনূসের মতো একজন সৎ ও দেশপ্রেমিক মানুষকে কাজ করতে দেওয়া হয় না। কিছু রাজনৈতিক দল কেবল অপেক্ষায় আছে, কবে তাকে সরানো যাবে। আর এই ষড়যন্ত্রের পেছনে বিদেশি শক্তির হাত আছে কি না, সেটাও নিশ্চিত করে বলা যায় না।
ড. ইউনূসের বড় গুণ – তিনি প্রচারে আসেন না
ড. ইউনূসের সবচেয়ে বড় গুণ হলো, তিনি বারবার মিডিয়ার সামনে এসে বাহবা নিতে চান না। তিনি অপ্রয়োজনীয় কথা বলেন না, বরং নীরবে কাজ করেন। তার কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই, কেবল দেশের জন্য দেওয়ার মনোভাবই তাকে এগিয়ে নিয়ে চলেছে।
আমাদের ভবিষ্যৎ প্রয়োজন এমন শিক্ষিত ও দেশপ্রেমিক মানুষ
দেশের উন্নতির জন্য এমন উচ্চশিক্ষিত, সৎ ও দেশপ্রেমিক মানুষ দরকার। ড. ইউনূস প্রমাণ করেছেন, ইচ্ছা থাকলে সবকিছু সম্ভব। যদি প্রশাসন, সেনাবাহিনী এবং রাজনৈতিক দলগুলো তাকে সমর্থন করত, তিনি দেশের পুরো অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করে দিতে পারতেন।
আমরা চাই, পরবর্তী প্রজন্মেও এমন শিক্ষিত ও দেশপ্রেমিক ব্যক্তিদের নেতৃত্ব। কারণ, ড. ইউনূসের মতো মানুষদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে নতুন বাংলাদেশ।
ড. ইউনূসের মতো মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোই যথেষ্ট নয়, তাকে সহযোগিতা করতে হবে। কারণ তিনি দেশকে দিতে চান, নিতে নয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ