• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]

বাংলাদেশ ৫ অগাস্টে কুমিরের পেট এ ঢুকে গিয়ে বের হয়ে আসছে

রিপোর্টারের নাম / ১২৯ জন দেখেছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫

আমি যত চিন্তা করি, তত অবাক হই, আল্লাহ আমাদের এই জাতিকে দাসত্ব থেকে নিজে হাতে মুক্তি দিছে। এই চিন্তা করে আমি হাজার হাজার শুকরিয়া আদায় করি।
ইউনুস চায়না গিয়ে ল্যান্ডলক রিজিয়ন বললো ৭ স্টেটকে। ক্লিয়ারলি ইন্ডিয়ান ইকোনোমি এবং বাংলাদেশ ইকোনোমি এর বুস্ট করার ব্যাপারেই উনি জোর দিয়েছেন। তবে কেন ইন্ডিয়া এমন পাগলাটে হয়ে গেল তা আমরা সবাই জানি। তাও একটু ডাটা দিয়ে বুঝি কেন ইউনুস এই কথা বলেছে। ৭ প্রদেশের সবচেয়ে কাছের সি পোর্ট হইতেছে কলকাতা পোর্ট, তাঁকে ধরেই হিসাবটা করলাম।
১। চট্টগ্রাম বন্দরের গভীরতা ৯.৫-১০ মিটার, যা ২০০ মিটার লম্বা এবং ৩,৮০০-৪,০০০ টিইইউ (TEU) ধারণক্ষমতার জাহাজ পরিচালনা করতে পারে।
কলকাতা বন্দরের গভীরতা মাত্র ৭-৮ মিটার, যা শুধুমাত্র ৬০০-১,০০০ টিইইউ ধারণক্ষমতার ছোট ফিডার জাহাজ পরিচালনার জন্য উপযুক্ত। এর ফলে কলকাতায় বড় জাহাজের জন্য ট্রান্সশিপমেন্ট প্রয়োজন।
২। চট্টগ্রাম বন্দর ২০২১-২২ অর্থবছরে ৩২.৫৫ লক্ষ টিইইউ (৩২,৫৫,০০০ TEU) হ্যান্ডল করেছে, যা বছরে ৫.১১% বৃদ্ধি পেয়েছে।
কলকাতা বন্দর বার্ষিক ৬.৫-৭ লক্ষ টিইইউ (৬,৫০,০০০-৭,০০,০০০ TEU) হ্যান্ডল করে, যা চট্টগ্রামের তুলনায় প্রায় ৫ গুণ কম।
৩। চট্টগ্রাম বন্দরের বার্ষিক কার্গো ক্ষমতা ১২০-১৩০ মিলিয়ন টনের বেশি, ২০২১-২২ সালে ১১৯ মিলিয়ন টনেরও বেশি পরিচালনা করেছে।
কলকাতা বন্দর বছরে ৬৫-৭০ মিলিয়ন টন কার্গো হ্যান্ডল করে, যা চট্টগ্রামের তুলনায় অর্ধেকেরও কম।
৪। চট্টগ্রাম বন্দর সমুদ্র থেকে মাত্র ৯ নটিক্যাল মাইল দূরে, যা জাহাজের দ্রুত প্রবেশ ও প্রস্থান নিশ্চিত করে।
কলকাতা বন্দর হুগলি নদীর উপর অবস্থিত এবং সমুদ্র থেকে ১৪৫ কিলোমিটার দূরে, যার ফলে জাহাজের যাতায়াতে সময় ও খরচ বেশি লাগে।
৫। চট্টগ্রাম বাংলাদেশের ৯২% সমুদ্রবাহিত বাণিজ্য পরিচালনা করে এবং রপ্তানি সময় (যেমন, আমেরিকায় ৪৫ দিন) কমানোর সম্ভাবনা রাখে (যদিও হুতি বিদ্রোহীর পর এর ৬০ দিনে গিয়ে ঠেকেছে )।
কলকাতার সীমিত গভীরতা এবং ড্রেজিং সমস্যার কারণে বাণিজ্য দক্ষতা কম, এবং এটি প্রধানত ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য ফিডার হিসেবে কাজ করে।
৬। চট্টগ্রাম ভারতের সাত রাজ্যের (যেমন, ত্রিপুরা, আসাম) জন্য ৩০০-৫০০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত, যা
কলকাতার ১,২০০-১,৫০০ কিলোমিটারের তুলনায় অনেক কাছে।এটি দ্রুত এবং সাশ্রয়ী বাণিজ্য পথ প্রদান করে।
৭। চট্টগ্রামের মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর (২০২৭ সালে চালু) ১৫-১৮ মিটার গভীরতার জাহাজ পরিচালনা করবে, যা পরিবহন খরচ ১৫% কমাবে।
কলকাতার ডায়মন্ড হারবার প্রকল্প (৯-১৫ মিটার গভীরতা) এখনও চলমান, কিন্তু সিল্টেশন এবং নদীপথের সীমাবদ্ধতা এর ক্ষমতা সীমিত রাখে।
এগুলো তো ইন্ডিয়ার অজানা না। সবই জানে তারা, তাইলে কেন ইকনমিক পার্ট বাদ দিয়া ওরা ল্যাণ্ডলক নিয়ে চিল্লাইতেছে কেন? একটাই রিজন বাংলাদেশকে তো গিলেই ফেলছিল; সব কিছুর ফ্রী এক্সেস হাসিনা তাদের দিয়েই দিছিলো। যে জিনিস এত সহজে পায়ে বসছিলো, সেটা না পেয়ে এখন তো কানবেই।
আমাদের এশিয়ান সাবকন্টিনেট এর সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য হইল একটা জেলাস ব্যাড প্রতিবেশী পাইছি। ওর এই গিলে খাওয়ার মেন্টালিটি এর জন্য পুরো কন্টিনেন্ট পিছয়ে গেছে অনেক বছর। এবং এদের ৭ রাজ্যের ইকোনমিক গ্রোথ থেকেও বঞ্চিত হইতেছে। ইন্ডিয়া ক্ষতি তো নিজের করতেছেই, সাথে আশেপাশে সবাইকে খাওয়ার পায়তারা করে গেছে।
বিষয়টা দুঃখজনক। তবে, আমার ভালো লাগছে ঠিক এই ব্যাপারেই যে, ইউনুস তার কাজ করে জাইতেছে। ভয়েস দিয়ে যাচ্ছে। কারো না কারো তো বলতেই হইত। বাট এই কথাগুলো ভিশনারি লিডার ছাড়া পসিবল না।
দেশ নেতা তারই হওয়া দরকার, যে শুধু নিজের দেশেরই না; পুরো অঞ্চলের গ্রোথ নিয়ে চিন্তা করবে। এরকম নেতা লাস্ট আমরা পেয়েছিলাম বিএনপি এর প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে। কিন্তু সেই দল উনার চিন্তাকে পোট্রে করতে বারবার ব্যর্থ হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ