জামায়াত ইসলামের আমীর ডা. শফিকুর রহমান তার ভেরিফাই ফেসবুক আইডিতে ৭ঘন্টা আগে পোস্টে লিখেন:
প্রিয় দেশবাসী, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। বর্তমান পরিস্থিতিতে আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সর্বোচ্চ ধৈর্য ও প্রজ্ঞার পরিচয় দেওয়ার তাওফিক দান করুন। ধৈর্যই মজলুমের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। ধৈর্য ধরার কোনোই বিকল্প নেই।
দেশটা আমাদের সকলেরই অস্তিত্বের অংশ। আশা করি সকলেই সর্বোচ্চ ধৈর্যের পরিচয় দিবো। মহান আল্লাহ আমাদেরকে তাওফিক দান করুন। আমিন।
উক্ত পোস্টের শত শত আবেগী মানুষ মন্তব্য দিয়ে তাদের কষ্টের কথা তুলে ধরেছেন।
মন্তব্য করতে গিয়ে Md. Mamun লিখেন, যদি রক্ত দিয়ে গায়ের জামা ভিজে যায় তবে ইতিহাস বদলে যাবে। কথাটা বাস্তবতায় রূপ নেবে এবার ইনশাআল্লাহ। বুকের ভেতরটা দুমড়ে মুচড়ে যাচ্ছে আমার। তারপরও বলবো নিশ্চয়ই আল্লাহ যা করে মঙ্গলের জন্য করে। হাদি ভাই যেটা চেয়েছিল সেটাই হয়েছে। বিড়ালের মত ৫০ বছর বেঁচে না থেকে সিংহের মত ৫ বছর বেঁচে থাকা উত্তম। হাদি ভাইয়ের দেখিয়ে দেওয়া পথে বাংলার লাখো কোটি হাদি রক্ত গঙ্গায় হেটে যাবে। মহান আল্লাহ পাক হাদি ভাইকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন। আমিন…..
Mhd samir মন্তব্যে লিখেন, উসমান হাদী: সংসদের দ্বারে ইনসাফের প্রহরী মহান আল্লাহ যদি উসমান হাদীর রূহ নিজ জিম্মায় ফিরিয়ে নেন, তবে আমার আকুল আবেদন—এই বিপ্লবীর অন্তিম শয্যা যেন রচিত হয় জাতীয় সংসদ ভবনের আঙিনায়। এমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে, যেখানে গণতন্ত্রের মন্দিরে প্রবেশের পূর্বে প্রতিটি সংসদ সদস্যকে বাধ্যতামূলকভাবে অন্তত একবার হাদীর মুখোমুখি হতে হয়।
যেন তাঁর কবরের নীরবতা প্রতিটি জনপ্রতিনিধিকে স্মরণ করিয়ে দেয়—ইতিহাসের কাঠগড়ায় ইনসাফ বা ন্যায়বিচার কতটা ভারী, কতটা অনিবার্য।
আমি উসমান হাদীকে ভালোবাসি—না কোনো দলীয় পরিচয়ে, না কোনো রাজনৈতিক স্বার্থে। তিনি বিএনপি নন, আওয়ামী লীগ নন, জামায়াতও নন; তিনি এসবের অনেক ঊর্ধ্বে। তিনি সেই কণ্ঠস্বর, যিনি নিরপরাধ মানুষের আর্তনাদ বুকে ধারণ করেছেন স্বার্থের শিকল ছিঁড়ে। তিনি ইনসাফের মূর্ত প্রতীক।
তাই জীবিত হোক কিংবা মৃত, উসমান হাদীর অবস্থান আমি সংসদেই দেখতে চাই। কারণ, কিছু মানুষ কেবল রক্ত-মাংসের শরীরে বেঁচে থাকেন না; তারা বেঁচে থাকেন নৈতিকতায়, আদর্শে এবং ইতিহাসের পাতায়। উসমান হাদী তেমনই একজন—যিনি আমাদের জাতীয় বিবেক, ইনসাফের অতন্দ্র প্রহরী এবং বাংলার বুক চিরে জেগে ওঠা এক আধুনিক ‘চে গুয়েভারা’।
Md Akash ahmed অতি কষ্ট বোকে নিয়ে বড় আক্ষেপ করে লিখেন, ধৈর্য ধরে কার বালডা ছিড়ছেন এই ১৮ বছর??
সাঈদী সাহেব নিজামী সাহেবের মতো নেতাদের হারিয়েও ধৈর্য ধরে আছেন, থাকেন। আপনাদের ধৈর্য ধরতে কেউ নিষেধ করে নাই।
তবে আমাদের জুলাই যোদ্ধা, জুলাই স্পিরিট ধারন করে চলা শহীদ শরিফ ওসমান হাদী সম্পর্কে কোনো বিপ্লবীকে ধৈর্য ধরতে বলবেন না।
সত্যিকার অর্থে একের পর এক এই যে, মানবিক মানুষগুলোর প্রাণ হরণ দেশের সাধারণ নাগরিক মনে বিদ্রুপের সুচনা চরমভাবে লক্ষ করা যায়। এমনিভাবে চলতে থাকলে দেশ হারাবে তার স্বাধীনতা আর গৌরবগাথা ইতিহাস ঐতিহ্য।