শিশির নামলেই আমরা থেমে যাই নিঃশব্দ স্বপ্নের সীমানায়। শিশির নামলেই আমরা ভিজে উঠি পাতার শিরায় জমে থাকা রাতের নীরবতায়।
গাছেরা তখন গেয়ে ওঠে স্বচ্ছ ভোরের গান! আমরা- অর্থাৎ আমি, আমি এবং আমার অন্তলুকোনো আর-এক আমি… শিশির নামলেই মন খুলে বসে একটা আমির সঙ্গে আর-একটা আমি। দু’জনেই স্বচ্ছতার সহজ দরজায় রহস্যময় আলো ধরে রাখি। উন্মুক্ত হয় অনুকম্পায় লেখা এক গোপন ডায়েরি!
শিশিরের ছোঁয়াতে ধুয়ে ফেলি দিনের ধুলো চোখের গভীরে জ্বালিয়ে দেই জাগরণের উজ্জ্বল আলো। আমরা শিশিরকে কখনও ঝড় হতে দেখিনি আমরা শিশিরকে কখনও শব্দ করে ঝরতে দেখিনি দেখেছি, নরম কণ্ঠে রাতের দুঃখ মুছে দিতে দিতে দূর্বাঘাসে ভোরের কণা সাজাতে। দেখেছি নীরবে মন খুলে হাসি দিয়ে রাতের শেষ সবুজ কণাকে আলোয় মেশাতে।