“ঈশ্বরগঞ্জে আসামিকে না পেয়ে টাকা নিয়ে আসা এসআই আব্দুর রাজ্জাককে প্রত্যাহারের দাবি ” তরিঘরি করে এমন বানোয়াট মিথ্যা অভিযোগ এর ভিত্তিতে একজন সৎ ও জনবান্ধব পুলিশের এসআইকে প্রত্যাহার করার পরিকল্পিত একটা মিথ্যাচার।
এসআই রাজ্জাক বার্তা বাংলাদেশ২৪. কমকে বলেন, তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগটি সম্পুর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তিনি যথাযথ ভাবে পুলিশের উর্ধতন কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এসআই রাজ্জাক বলেন, সুষ্ঠ তদন্তের ভিত্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে অন্যথায় আইনের প্রতি মানুষের আস্থা উঠে যাবে।
সরিষা এনায়েত নগরের মানুষের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে এসআই রাজ্জাক বলেন, মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগকারী পরিবার কি সত্যিই মাদকের ব্যবসার সাথে জড়িত কিনা তা সরজমিনে তদন্ত করে দেখার জন্য জোর দাবি জানান। তিনি বলেন, দ্রুত এদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তুলুন। এবং সত্য ও সঠিক তথ্য উদঘাটন পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন।
বাচ্চু মিয়া মামলার আসামী। মামলার বাদীর সংবাদের ভিত্তিতে এস আই আব্দুর রাজ্জাক তার ফোর্স সহ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে দেখেন আসামী সে স্থানে নেই।
বিধি অনুযায়ী এস আই রাজ্জাক ফোর্স নিয়্র ঘরে তল্লাশি করে সে সময় আসামীর স্ত্রী সংগেই ছিল। তল্লাশি শেষে ঘর থেকে বেরিয়ে এসে বাহিরে প্রায় ৩/৪ ঘন্টা অবস্থান করেন। সময়টা ছিল বেলা দুপুর ১২ টা থেকে ১ টার দিকের ঘটনা।
তারপর এস আই রাজ্জাক যথাযথ ভাবে তার সংগে থাকা পুলিশ সদস্যদেরকে নিয়ে ব্যারাকে ফিরে আসেন।
পরবর্তীতে ঘটনার ঠিক দুই দিন পর আসামীপক্ষ একটা মিথ্যা প্রপাকান্ডা ছড়ায় যে আসামীর ঘর থেকে নগদ অর্থ এস আই রাজ্জাক জব্দ করেছে।
বার্তা বাংলাদেশ২৪. কমের সম্পাদক এস আই রাজ্জাক সাহেবের কাছে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে এস আই রাজ্জাক অভিযোগটিকে সম্পূর্ণ পরিকল্পিত মিথ্যে ও বানোয়াট বলে দাবি করেন।
এস আই রাজ্জাক বলেন, ঘটনার ঠিক দুই দিন পর এমন একটা মিথ্যে অভিযোগ তার বিরুদ্ধে এনে তার আত্মসম্মানকে হেয় প্রতিপন্ন করেছে। তিনি জোর দাবি করে বলেন, একটা কুচক্রী মহল তার এই মাদক নির্মুল অভিযানের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানকে ভিন্ন পথে প্রভাবিত করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। তিনি এই অভিযোগের সুষ্ঠ তদন্তের জোর দাবী করেন।
এসআই আব্দুর রাজ্জাক যে একজন নীতিবান পুলিশ অফিসার এবং জনগণের বন্ধু তার বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ নেই। তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ উথ্যাপনের সাথেই সাথেই স্যোশাল মিডিয়া জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। অগণিত কমেন্টের মধ্য থেকে কয়েকটি কমেন্ট তুলে ধরা হলো।
উক্ত এলাকার বাসিন্দা আবুল কালাম বাদশা মন্তব্য করে লিখেন, “একজন মাদক ব্যবসায়ী তার মিত্য কথার উপর বিত্তি করে। এস আই রাজ্জাক সাহেব কে কলংকীত করা যাবে না। যদি রাজ্জাক সাহেব একান থেকে বদলি হয়ে যায়। তা হলে তাদের মাদক ব্যবসা জমজমাট হবে”
@Abul Kalam Babsha
জনাব বুরহান হাসান লিখেন, “ঈশ্বরগঞ্জের সরিষা ইউনিয়নের সর্বোচ্চ বড় মাদক ব্যবসায়ী পরিবার হিসেবেপরিচিত উনারা। রাজ্জাক স্যার খুব ভালো মানুষ মাদক কারবারির আতঙ্কের নাম ছিল এস আই রাজ্জাক।”
@Burhan Hasan
“মাদকের হাত কতো যে লম্বা, রাজ্জাক সাহেবের বদলির মাধ্যমে বুঝতে পারলাম।মানুষ যেহেতু ফেরেস্তা নয়,সেহেতু রাজ্জাক সাহেবও লোভ আর ভুলের উর্ধ্বে নয়।তবে সত্য মিথ্যে যাই হোক একজন মাদক ব্যাবসায়ীর অভিযোগে রাজ্জাক সাহেবকে শাস্তি স্বরূপ প্রত্যাহার দুঃখজনক।কারন মাদক বিষয়ে রাজ্জাক সাহেব আপোষহীন ছিলো।আর আমি মনে করি,এভাবে সিদ্ধান্ত নিলে,মাদক নির্মুলের গতি,কমে যেতে পারে”
@Manik Atharabari jcd
“আমার জানা মতে একটা মানুষ সবার জন্য ভালো হতে পারেনা, যেমন দরেন রাজ্জাক স্যার, মাদক ব্যবসায়ী দের জন্য কারাপ আবার রাজ্জাক স্যার সাধারণ মানুষ এর চোখে খুব ভালো মনের মানুষ একজন,ঠিক এমনি ভাবে আমার নিজের চোখে দিখা, রাজ্জাক স্যার খুব ভালো মনের মানুষ,
তাই আমি বলি একটি মানুষ ভালো কাজ করতে গিয়ে, কারো চোখে ভালো, আবার কারো চোখে কারাপ।
তাই আমি আমাদের এমপি স্যার কে বলবো, ১, ২, ৩ আমাদের মাদক মুক্ত সমাজ দিন, ৪, ৫, ৬ মাদক ব্যবসায়ী দের হবে পরাজয়”
@ফুটবলার রনি
“আমি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা বানোয়াট রাজ্জাক সাহেবের কোন দোষ নাই”
@Md Fazlull
“মাদক কারবারির আতঙ্কের নাম ছিল
এস আই রাজ্জাক”
@SB Sumon
“মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইটা সব সময় কুসুমাস্তীর্ণ নয়, বরং এটি একটি কন্টকময় পথ। সম্প্রতি এসআই আব্দুর রাজ্জাক সাহেবের বদলি বা প্রত্যাহারের ঘটনাটি আমাদের সেই কঠিন বাস্তবতার কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছে।
আমরা মানুষ, আর মানুষ মাত্রই ভুল বা সীমাবদ্ধতার ঊর্ধ্বে নয়। তবে বিষয়টি যখন একজন নীতিবান, দক্ষ এবং মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকা পুলিশ অফিসারের সঙ্গে ঘটে, তখন তা সত্যিই হতাশাজনক। মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যারা সম্মুখ সারির যোদ্ধা, তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আরও ধৈর্য এবং বস্তুনিষ্ঠতার প্রয়োজন ছিল বলে মনে করি।
মাদকের থাবা থেকে সমাজকে রক্ষা করতে এসআই আব্দুর রাজ্জাক সাহেব যেভাবে আপোষহীন থেকে দায়িত্ব পালন করেছেন, তা প্রশংসার দাবি রাখে। হঠকারী কোনো সিদ্ধান্তে যদি মাঠপর্যায়ের এমন সৎ অফিসারদের মনোবল ভেঙে যায়, তবে দীর্ঘমেয়াদে তা আমাদের মাদক নির্মূলের সামগ্রিক গতিকে ব্যাহত করতে পারে।
আমরা চাই নিরপেক্ষ তদন্ত। সত্য উন্মোচিত হোক, তবে আবেগের বশবর্তী হয়ে বা অসাধু চক্রের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে যেন কোনো দক্ষ অফিসারের ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। এসআই আব্দুর রাজ্জাক সাহেবের মতো অফিসাররা আমাদের সমাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। আশা করি, কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সুবিবেচনার সাথে দেখবেন”
@Ferdous Amin