অভ্যুত্থানের ভয়ে বাংলাদেশের ৩ সেনাকে দুর্বল করার চেষ্টা? বড় সিদ্ধান্ত ইউনুসদের!
রিপোর্টারের নাম
/ ১২৪
জন দেখেছে
আপডেট :
মঙ্গলবার, ৩ জুন, ২০২৫
শেয়ার
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত রয়েছে। আরাকান আর্মিও চিন্তা বাড়াচ্ছে। সেই আবহে এবারের বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে বাংলাদেশ কত টাকা বরাদ্দ করে, সেদিকে তাকিয়েছিলেন অনেকে। কিন্তু ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে যে বাজেট পেশ করা হল বাংলাদেশে, তাতে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বেশ খানিকটা কমিয়ে দিল মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
বাংলাদেশের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের প্রস্তাবিত যে বাজেট পেশ করা হয়েছে, তাতে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দের অঙ্কটা হল ৪০,৬৯৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ যে অঙ্কটা গত অর্থবর্ষের থেকে ১,৩১৬ কোটি টাকার মতো কম। গত অর্থবর্ষে ৪২,০১৪ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
আর তার জেরে প্রশ্ন উঠেছে যে এরকম পরিস্থিতিতে কেন আচমকা প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ কমানোর পথে হাঁটল বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার? সামরিক অভ্যুত্থানের যে জল্পনা ছড়িয়েছে, তাতে আতঙ্কিত হয়েই কি তিন বাহিনীকে (বাংলাদেশ সেনা, বাংলাদেশ বায়ুসেনা এবং বাংলাদেশ নৌসেনা) আরও দুর্বল করে দিতে চাইছেন ইউনুসরা? যদিও সেই প্রশ্নের কোনও উত্তর মেলেনি।
গত এপ্রিলে খাইবার পাখতুনখোয়া এবং পঞ্জাব প্রদেশে দুটি বড় ধরনের ভূমিকম্প হয়েছিল। এর আগে ফেব্রুয়ারির প্রথম ভাগে ২০টি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল পাকিস্তান জুড়ে। অর্থাৎ, গড়ে প্রতিদিনে ১টির বেশি কম্পন অনুভূত হয়েছে পাকিস্তানে।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে ভারত-পাক সংঘাতের আবেহ কিরানা হিলসে মিসাইল পড়েছে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। দাবি করা হচ্ছে, সেখানেই পাকিস্তানের পরমাণু মিসাইল ভাণ্ডার। এবং পাকিস্তানে বারবার ভূমিকম্পের নেপথ্যে সেই কিরানা হিলস প্রসঙ্গ টেনে আনা হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ার চর্চায়। এমনিতে পাকিস্তান তিনটি টেকটনিক প্লেটের ওপর বসে – আরব, ইউরো এশিয়ান এবং ভারত। এই কারণেও সেখানে অনেক ভূমিকম্প হতে পারে।