জামালপুর জেলাধিন মাদারগঞ্জ উপজেলার গুনারীতলা গ্রামবাসীর চলাচলের ভোগান্তির যেনো শেষ নেই।
স্বাধীনতার পর থেকেই দেখে আসছি এ অঞ্চলের মানুষের চলাচলের কি করুন পরিনতি। একেতো নীচু এলাকা তারমধ্যে যমুনা নদীর নিকটবর্তী হওয়ায় বছরের অধিকাংশ সময়ই গ্রামবাসীর চলাচলের রাস্তাঘাট থাকতো পানিতে নিমজ্জিত। কাচা রাস্তা হওয়ায় বর্ষা মৌসুম এলেই পানির প্রবল স্রোতে রাস্তাঘাট ভেংগে টইটুম্বুর হয়ে যেতো।
বর্তমানে নদীতে পলি জমে নদী তার নাব্যতা হারিয়ে ফেলায় অন্যদিকে নদিটীর সন্মোখ মোহনায় বাঁধ দেওয়ার ফলে কয়েক দশক ধরে রাস্তাঘাট পানিতে নিমজ্জিত না হলেও মেরামতকল্পে সরাকারের কোনই উদ্যোগ না থাকায় কয়েক দশক ধরেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গুনারীতলা বাজার থেকে পূর্ব পাড়ার মধ্য দিয়ে ঝারকাটা ফুট ব্রীজ পার হয়ে (ব্রীজটা যদিও চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী) অনুরূপ রাস্তার অবস্থাও নাজুক তথাপিও এ পথ দিয়েই জটিয়ারপাড়া, চরসগুনা, আমের্তি, চাড়ালকান্দি, কাহেতপাড়া ও বীর সগুনার মানুষগুলো জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করে আসছে।
অন্যদিকে গুনারীতলা বাজার সংলগ্ন ঝারকাটা নদীর ফুট ব্রীজ মারাত্মক ভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় গুনারীতলা জাঙ্গালিয়া সহ দক্ষিণ অঞ্চলের জনসাধারণ উত্তর পাড়ার রাস্তা দিয়ে পুর্ব ভেলামারী আনন্দ বাজার হয়ে হাজড়াবাড়ি মেলান্দহ ও জেলা শহর জামালপুরে নিয়মিত যাতায়াত করছে।
কিন্তু বিগত বর্ষা মৌসুমে গুনারীতলা বাজার সংলগ্ন ফুট ব্রীজের পশ্চিম পাশ দিয়ে যে রাস্তাটি উত্তরপাড়া ফুটব্রীজ পর্যন্ত ঝারকাটা নদী সংলগ্ন পুর্ব পাশে তার পুরুটাই ধ্বসে পড়েছে। যা চলাচলের জন্য একেবারেই ঝুঁকিপূর্ণ এবং অনুপযোগী। এতে করে যে কোন মুহূর্তে যানবাহন উলটে গিয়ে নদীর গভিরে নিমজ্জিত হতে পারে। তবুও মানুষ চলছে জীবনের প্রয়োজনে ঝুঁকি কাঁধে নিয়ে রাতদিন মানুষ অন্ধকারের মধ্যেও যাতায়াত করছে।
আগামী বর্ষার আগেই এই রাস্তাটুকু সংস্কার করতে না পারলে গুনারীতলা জাঙ্গালিয়া সহ দক্ষিণ অঞ্চলের জনসাধারণের যাতায়াত চরমভাবে ব্যাহত হবে শুধু তাই নয় নদীর পাড় ঘেষে গড়ে উঠা বসতভিটাও যে কোন সময় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।
গুনারীতলা বাজার থেকে উত্তরপাড়ার ফুটব্রীজ পর্যন্ত রাস্তাটুকু বর্ষা মৌসুমের আগেই জরুরী ভিত্তিতে সংস্কার করার জোর দাবি জানাচ্ছি।
অত্র এলাকার জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।



