• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪০ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]

এবার হয়তো সাগর-রুনি হত্যাকান্ডের কূলকিনারা হবে

আহম্মেদ জহুর / ১২ জন দেখেছে
আপডেট : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬

এবার হয়তো সাগর-রুনি হত্যাকান্ডের কূলকিনারা হবে। তদন্ত প্রতিবেদন ১২৯ বারের মতো পিছিয়েছে। এখন পিবিআই’র তদন্তাধীন। তদন্তে নতুন করে কিছু তথ্য উঠে এসেছে। মেজর জেনারেল (অব) জিয়াউল আহসান এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের সাবেক এমপি রোকেয়া প্রাচীর জড়িত থাকার তথ্য উল্লেখ করেছে আইসিটি।

সাগর-রুনি খুন হয় ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত ভোর রাতে। আইসিটি একটি গুরুত্বপূর্ণ খবর ব্রেক করলো, একটি গুমের মামলার তদন্ত করতে গিয়ে সাগর-রুনি হত্যায় নতুন ক্লু পাওয়ার তথ্য জানিয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কুখ্যাত খুনী জিয়াউল আহসান এবং রোকেয়া প্রাচীরের জড়িত থাকার ক্লু পাওয়ার গেছে বলে আইসিটি নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, জিয়াউল সংশ্লিষ্ট থাকা একটি গুমের মামলা তদন্ত করতে গিয়ে তদন্তকারীরা নতুন এই তথ্যের সন্ধান পান। একটি মোবাইল ফোনের কল ডিটেইল রেকর্ড বিশ্লেষণের সময়ে এক সেনা সার্জেন্টকে শনাক্ত করা হয়। পরে তাকে নজরদারিতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সেখান থেকেই সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড নিয়ে নতুন এই ক্লু পাওয়া যায়।

২০১২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি, অর্থাৎ সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়ার দুই দিন আগে, জিয়াউল আহসান ওই সেনা সার্জেন্টকে ডেকে পাঠান। সে সময় তাকে বলা হয়েছিল, ‘আগামী দুই দিনের মধ্যে বড় কিছু ঘটতে পারে, প্রস্তুত থাকো।’ একই দিন ওই সার্জেন্টকে রোকেয়া প্রাচীরের কাছ থেকে দুটি সিডি সংগ্রহের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

সার্জেন্ট পরবর্তীতে নির্দেশ অনুযায়ীই তার কাছ থেকে সিডি দুটি সংগ্রহ করেন এবং জিয়াউল ও রোকেয়া নিয়মিত যোগাযোগে ছিলেন; এই তথ্য আইসিটির তদন্ত কর্মকর্তাকে জবানবন্দীতে জানান ওই সাজেন্ট। বিশ্লেষণ চলছে এই দুই সিডি, সিডি দুটির সঙ্গে সাগর-রুনি হত্যার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কিনা, তদন্ত শেষে উন্মোচন করা হবে।

নতুন ক্লু-তে ওঠে আসা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপরে নজরদারি রাখতেছে আইসিটি। তবে সাগর-রুনী হত্যা মামলাটি একটি ব্যক্তি-হত্যার মামলা হওয়ায় আইসিটি বিচারিক এখতিয়ার রাখেনা। এটি প্রচলিত ফৌজদারি আইনের অধীনে সংশ্লিষ্ট আদালতেই নিষ্পত্তি হবে। আইসিটি তাদের সকল তদন্তের ক্লু এই মামলার তদন্তে থাকা পিবিআইতে পাঠাবে। দুইটি বাহিনী তদন্ত করবে। তবে আইসিটিতে গিয়ে সাগর-রুনির ছেলে মেঘ অনুরোধ করেছেন, মামলাটি যেন আইসিটিতে হস্তান্তর করে তদন্ত কাজ পরিচালনা করা হয়।

১৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে গড়াগড়ি খাওয়া মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি হোক এবং প্রকৃত দোষীরা সাজা পাক, এটাই জনগণের প্রত্যাশা। মামলাটির সুষ্ঠু সুরাহা হলে এটি হবে বর্তমান সরকারের অনেক বড় এচিভমেন্ট।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

Archive Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০