• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
/ হাসিদা মুন
নিপীড়ক আদালতে আসে, আসে প্রসিকিউটর তিনিই বিচারক এবং জুরি -এখানে প্রকৃত জয়’ অথবাতে – হার’ নেই,কেস কেটে গুটিয়েও গেছে। আসামি একা দাঁড়িয়ে,প্রসিকিউটর নিজেকেই সাক্ষী হিসাবে ডাকেন। বিচারক নিজের তৈরি আইনটিকেই বিস্তারিত
মাথার ভিতরে নিজস্ব এক জীবন আছে সেখানের কণ্ঠস্বর প্রায় কথা বলে ওঠে সেই আওয়াজে করুণা বা অনুশোচনার সম্ভাবনা থাকে না তুখোড় চিন্তায় মন ধারণ করে রাখে বার বার অতীতের দিকে
দুঃখ হোক কাঁচা কিংবা পাকা-আসল কথা; দুঃখিত হতে থাকা, সেইসাথে দুঃখকে জাহির করা মানুষের মুখ্য কাজ এটা জন্মলগ্ন থেকেই হয়তো তাই- কেঁদে ওঠা … কেউ আমাকে কাছে টানুক-ভালোবাসুক বন্ধ চোখে
দয়িত আমার … দ্রুত ছুটে চলা প্রত্যুষ আর সূর্যরশ্মি ডোবার প্রাক্কালে তোমাকেই দিবো শত সম্ভাষণ ফুলের ভাষায় চুপকথা বলবোনা- ফুলের সম্মেলনে … শুস্ক ধরণী তেষ্টায় শুঁয়োপোকা হয়ে কষ্টের বুকে হাঁটে
মৎস্যজীবী ভোরবেলা সুর্যদয়ে বেরিয়ে যায় কৃষিজীবী দুপুর মিঠে রোদে অংকুর ফলায়- সমুদ্রের কোরালের নীচ থেকে পাথরের কঠিন খোড়ল থেকে মাটির চাঁইয়ের ভাজ থেকে প্রতিদিনের রুজিরুটি টেনে তোলে … জীবন এক
দেশাত্মবোধক সঙ্গীতের অসিবর্ণ ঠোঁট খোলা হৃদয়ের ঝর্ণা ঝরে মসৃণ তানপুরায় অভদ্র অনৈক্য বাঁধা সূতা বাকি সব মীঢ় ভোঁতা বিধ্বস্ত নিজ সংলগ্ন রাস্তায় যবনিকা খুঁজে পায় ব্যাথা … হায় কি পরিতাপ
ভালোবাসা এবং লালসা ভিন্ন ভিন্ন খুঁটি ভালোবাসা হল শিল্প,কাম হল বিশৃঙ্খলা, ভালোবাসা অসীম, লালসা সসীম ভালোবাসা শুরু হয় হৃদয়ের বিবেক থেকে ভালোবাসা সম্মান, লালসা – লালসা ভালোবাসা প্রয়োজন, লালসা লোভ
জগতের প্রান্তগুলো ছুঁয়ে কাছে এলো একনাগাড়ে চেয়ে থাকা আমার দৃষ্টি পর্দা দিয়ে গভীরতা ঢাকা রহস্যের ভিতরে জমা বিকৃত সত্যগুলি দেখি উপলব্ধির চোখে মন মাতানো প্রতীক আকাশের মেঘ দিয়ে আকাশ মেঘলা