সারাদিন আমি একা, নিঃসঙ্গ। জনস্রোতের ভেতর আমি একা । প্রতিদিনের রুটিন জীবনে আমি একা । অফিসে কাজের টেবিলে আমি একা, নিঃসঙ্গ। উৎসবের কলরবে আমি একা। জানালায় দাঁড়ানো সোনালী সকালে আমি
শিশির নামলেই আমরা থেমে যাই নিঃশব্দ স্বপ্নের সীমানায়। শিশির নামলেই আমরা ভিজে উঠি পাতার শিরায় জমে থাকা রাতের নীরবতায়। গাছেরা তখন গেয়ে ওঠে স্বচ্ছ ভোরের গান! আমরা- অর্থাৎ আমি, আমি
কাঠ কিংবা খড়কুটো জ্বলে পুড়ে ছাই হয়, যদি তুমি সোনা হও আগুনে কিসের ভয়? কাঠ কিংবা গ্যাস, কেরোসিন বা পেট্রোল, বারুদ অথবা বিদ্যুৎ, তুশ কিংবা ধূপ, প্রত্যারণা কিংবা প্রতিশোধ- যা
রক্তঝরা ডিসেম্বরের ভোরে দেশ প্রথমবার শ্বাস নিয়েছিল- বেদনামাখা, তবু উজ্জ্বল। যে মা ছেলেকে ফেরত পায়নি, তার কান্নার ভেতরই জন্মেছিল বিজয়। যে সৈনিক শেষবার বলেছিল ‘দেশটা বাঁচুক’- তার সাহসেই উঠেছিল আমাদের
বিজয় শুধু ভূখণ্ড নয়, বিজয় মানুষের অন্তরের মুক্তি, ভয়হীন শ্বাস, নিজস্ব ভাষায় কথা বলার অধিকার, একটি দেশের জন্মের মহামহিম দায়বোধ। বিজয়ের এইদিনে আমরা অসীম কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করি, এই মাটিতে যারা
একজন মানুষ সারা জীবনে দুইবার প্রেমে পড়ে। পৃথিবীর সমস্ত সুখী দম্পতি দুইবার প্রেমে পড়বেই।প্রথম প্রেম ঘটে যখন মানুষ একে অপরের বাহ্যিক গুণাবলীর দিকে আকৃষ্ট হয়—সৌন্দর্য, সাফল্য, যোগ্যতা, স্মার্টনেস, অবস্থান, ধন-সম্পদ—এর