নিপীড়ক আদালতে আসে, আসে প্রসিকিউটর তিনিই বিচারক এবং জুরি -এখানে প্রকৃত জয়’ অথবাতে – হার’ নেই,কেস কেটে গুটিয়েও গেছে। আসামি একা দাঁড়িয়ে,প্রসিকিউটর নিজেকেই সাক্ষী হিসাবে ডাকেন। বিচারক নিজের তৈরি আইনটিকেই বিস্তারিত
সর্বনাম -অব্যয় নয় উড়েছিল গাঙচিল উড়েছিল সাথে কিছুটা বিস্ময় দৃশ্যর পিছন দিকটায় নিজ করে’ই করতালির শব্দে প্রতিধ্বনি নিজস্ব বাহুতে আবদ্ধ নিজেই নিজস্ব দৃশ্যতে দৃশ্যপট তৈরি সামনে সমুদ্র বৈরী… এপারে দাঁড়ালে
বাংলাদেশের সমকালীন সাহিত্য অঙ্গনে কবি, কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক হিসেবে নূর কামরুন নাহার একটি উল্লেখযোগ্য নাম। তিনি ১০ মার্চ ১৯৭১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈত্রিক নিবাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায়। পিতা
বহুবছর আমি রোকেয়া ইসলামকে চিনতাম না। তিনিও আমাকে চিনতেন না। কিন্তু দেখা হওয়ার পর থেকে তার বিভিন্ন উদযোগ, অনুষ্ঠান ও ভ্রমণের সাথে এমনভাবে জড়িয়ে গেলাম যে মনে হলো বহুকাল ধরে
সারাদিন আমি একা, নিঃসঙ্গ। জনস্রোতের ভেতর আমি একা । প্রতিদিনের রুটিন জীবনে আমি একা । অফিসে কাজের টেবিলে আমি একা, নিঃসঙ্গ। উৎসবের কলরবে আমি একা। জানালায় দাঁড়ানো সোনালী সকালে আমি
শিশির নামলেই আমরা থেমে যাই নিঃশব্দ স্বপ্নের সীমানায়। শিশির নামলেই আমরা ভিজে উঠি পাতার শিরায় জমে থাকা রাতের নীরবতায়। গাছেরা তখন গেয়ে ওঠে স্বচ্ছ ভোরের গান! আমরা- অর্থাৎ আমি, আমি