গুণী শিক্ষক হোমিও চিকিৎসক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও মানুষ গড়ার কারিগর ছিলেন অধ্যাপক নওয়াব আলী। নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে তাঁর যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। ১৯৫৫ সালে নবাবগঞ্জ বিস্তারিত
সরে গিয়েও যখন ছেড়ে যাওয়া হয়না, বুঝে নিও সরে গিয়ে দুরত্ব বাড়েনি বরং কাছের হয়েছে। কিছু কিছু সম্পর্কে দুরের হয়েই কাছের হয়ে থাকতে হয়। তাতে সম্মান, বিশ্বাস, ভালোবাসা সব নতুন
সর্বনাম -অব্যয় নয় উড়েছিল গাঙচিল উড়েছিল সাথে কিছুটা বিস্ময় দৃশ্যর পিছন দিকটায় নিজ করে’ই করতালির শব্দে প্রতিধ্বনি নিজস্ব বাহুতে আবদ্ধ নিজেই নিজস্ব দৃশ্যতে দৃশ্যপট তৈরি সামনে সমুদ্র বৈরী… এপারে দাঁড়ালে
বাংলাদেশের সমকালীন সাহিত্য অঙ্গনে কবি, কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক হিসেবে নূর কামরুন নাহার একটি উল্লেখযোগ্য নাম। তিনি ১০ মার্চ ১৯৭১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈত্রিক নিবাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায়। পিতা
বহুবছর আমি রোকেয়া ইসলামকে চিনতাম না। তিনিও আমাকে চিনতেন না। কিন্তু দেখা হওয়ার পর থেকে তার বিভিন্ন উদযোগ, অনুষ্ঠান ও ভ্রমণের সাথে এমনভাবে জড়িয়ে গেলাম যে মনে হলো বহুকাল ধরে
সারাদিন আমি একা, নিঃসঙ্গ। জনস্রোতের ভেতর আমি একা । প্রতিদিনের রুটিন জীবনে আমি একা । অফিসে কাজের টেবিলে আমি একা, নিঃসঙ্গ। উৎসবের কলরবে আমি একা। জানালায় দাঁড়ানো সোনালী সকালে আমি
শিশির নামলেই আমরা থেমে যাই নিঃশব্দ স্বপ্নের সীমানায়। শিশির নামলেই আমরা ভিজে উঠি পাতার শিরায় জমে থাকা রাতের নীরবতায়। গাছেরা তখন গেয়ে ওঠে স্বচ্ছ ভোরের গান! আমরা- অর্থাৎ আমি, আমি