দেয়ালের সিঁডিটা মারাতেই ছায়ার ভেতরেদ্বিখন্ডিত লাশ।
হেটে যায় স্বাধীনতার মোড়কে
চোখের পলকে শরীরটা কেঁপে ওঠে
পরক্ষণেই বুঝতে পারি এ আমারই ছায়া
প্রতি পদে পদে ধরে রাখে মায়া।
পৃথিবীর বাঁধনে আকাশের সীমানায় তৈরি
এখন যুদ্ধের ময়দান।
আর কান্না চাইনা
আজ যেটা দেখুন দ্বিখন্ডিত লাশ
সময়ে হবে টুকরো টুকরো খন্ডিত বিনাশ।
পৃথিবীব্যাপী চিহ্নহীন অজস্র কবর
কান্নার নোনা জলে ভিজায় মাটি
বাতাসের বেগে ঘুরেফিরে জানায়
জীবনের হাহাকার
আর তো পারি না-সারা দেয় স্তব্ধ বিবেক
সুরসুরি দেয় জনমনে
ঘোষিত হয় জীবনের মাইকে ছুটে চলো যুদ্ধের ময়দানে
শুধু সভ্যতা নয় যেতে হবে জীবন বাঁচাতে
অস্তিত্বের প্রশ্নে এ যুদ্ধ সবার চলো
এবার বুক সটান করে নিজেকে বাঁচাও
এ হোক ধরিত্রীর শপথে।
চোখে এখন শুধু ক্ষুধা
ভাতের ক্ষুধা বাঁচার ক্ষুধা
পৃথিবীকে বাঁচানোর ক্ষুধা
অন্তরে ক্ষুধা বাহিরে ক্ষুধা
নিচের থেকে উপরে ক্ষুধা সর্বত্র ক্ষুধা
এ যন্ত্রণাময় ক্ষুধাকে নিবারণের প্রত্যাশায়
গর্জে ওঠুক হাতিয়ার।
বিন্দুতে বিন্দুতে মিলে থামাতে হবে
ক্ষুধার দাবানল
সম্মিলিতভাবে টিকে থাকাটাই হোক ফলাফল।
খুলে দাও পাথরচাপা বিবেকের দরজা
মান্যবর তখন এমনিতেই উধাও হবে
শুরু হবে জীবনের সাজা।
ফিরে যাবে দগ্ধ সময়
বেদনার কষ্ট ছেড়ে জীবন হবে শুভময়
থেমে যাবে ব্যথিত হৃদয়ের কান্না
আলোয় ভরে যাবে এ নিবাস
দেখতে হবে না আর
বিপন্ন মানুষের দ্বিখন্ডিত লাশ
ক্রমাগত অন্ধকার কেটে দেখা যাবে
সুনীল আকাশ।



