যখন শরৎ আসে পশ্চিম আকাশে
জ্বলজ্বল করে জ্বলা এক অপূর্ব
সোনালী তারা দেখতে পাই,
জলের ছায়ায় নীল জলের স্পর্শ
তিমিরের অন্ধকারে অদৃশ্য হয়ে যাওয়া
ইউক্যালিপটাসের সারিসারি ছায়া
অথবা, আমার চারপাশের
সবুজ লতাপাতা বৃক্ষরাজি
অবচেতনে অনুভব করি।
সমুদ্রের মৃদু তরংগ ছন্দ আর
জানালার শিক দিয়ে আলোর ছন্দময় স্পর্শ
আমার অন্তর আত্মাকে নাড়া দিয়ে যায়
আমি অতৃপ্ত বাসনা বোধ করি।
যখন শরতের স্নিগ্ধতা কেটে যায়
বুঝতে পারি এটি ছিল এক ঐশ্বরিক পেয়ালা
যার পদ্মজল গভীরভাবে মোহিত করে
এ এক দুর্দান্ত হৃদয়-উষ্ণ অভিজ্ঞতা।
আমি বারবার শরতে ফিরে যাই
সেই মোহনীয় আলোর মধ্য দিয়ে ঘুরে বেড়াই
সন্ধান করি বিকেলের সমুদ্র সৈকতে
রমনীর নীল শাড়ির ভাঁজে ভাঁজে
লুকিয়ে থাকা এক অপূর্ব সৌন্দর্যকে
এ এক অভূতপূর্ব অনুভূতি!