বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
Homeআইন-অপরাধনীলফামারী ইপিজেডে গুলিতে ১ জন শ্রমিক নিহত, ৫ জন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ২০...

নীলফামারী ইপিজেডে গুলিতে ১ জন শ্রমিক নিহত, ৫ জন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ২০ জন আহত

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট

সংঘর্ষের ঘটনায় ১ জন নিহত ৫ জন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। সকাল ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নীলফামারীর উত্তরা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (ইপিজেড) সেনা ও পুলিশের গুলিতে হাবিব ইসলাম (২০) নিহত ও ৫ শ্রমিক গুলিবিদ্ধসহ আহত অন্তত ২০ জন। উক্ত ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ।
সংগঠনটি শ্রমিক হাবিব হত্যায় দায়ী পুলিশ ও সেনা সদস্যদের চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান। একই সঙ্গে শ্রমিক হাবিবের পরিবারকে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ ও আহতদের চিকিৎসার পূর্ণ ব্যয়ভার বহন করতে সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছে।
মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আব্দুল ওয়াহেদ ও সদস্য সচিব ফজলুর রহমান এ দাবি জানান বলে সংগঠনের সহকারী সদস্য সচিব জিহাদী ইহসান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়, নীলফামারীর ইপিজেডে এভারগ্রিন প্রোডাক্টস ফ্যাক্টরি (বিডি) লিমিটেডের শ্রমিকরা চার দিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন। গতকাল সোমবার শ্রমিকদের দাবি পূরণ না করেই অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্তৃপক্ষ কারখানা বন্ধ ঘোষণা করে। এর প্রতিবাদে মঙ্গলবারও শ্রমিকরা আন্দোলন অব্যাহত রাখলে পুলিশ ও সেনা বাহিনীর গুলিতে হাবিব ইসলাম নিহত ও আট শ্রমিক আহত হয়।নিহত হাবিব নীলফামারী সদর উপজেলার সংগলশী ইউনিয়নের কাজিরহাট গ্রামের দুলাল হোসেনের ছেলে। তিনি এভারগ্রিন প্রোডাক্টস ফ্যাক্টরির শ্রমিক ছিলেন।
বিবৃতিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর সেনা ও পুলিশের গুলি বর্ষণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলা হয়, জুলাই বিপ্লবের পরও শ্রমিকের রক্ত ঝরানো রাষ্ট্রীয় বর্বরতা মেনে নেওয়া যায় না। জুলাই বিপ্লবে সবচেয়ে বেশি শহীদ হয়েছেন শ্রমজীবী মানুষ। অথচ তাদের রক্তে প্রতিষ্ঠিত অন্তর্বর্তী সরকারও শ্রমিক হত্যা করছে। আমরা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিতে চাই এই হত্যার দায় রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হবে। হাবিবের রক্তের ন্যায্য হিস্যা দিতে হবে।
বিবৃতিতে শ্রমিক হাবিব হত্যার ঘটনায় বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ তিন দফা জানিয়েছে। দাবিগুলো হলো-শ্রমিক হত্যার সাথে জড়িত সেনা ও পুলিশ সদস্যদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি প্রদান করতে হবে; নিহত হাবিবের পরিবারকে শ্রম আইন অনুযায়ী পূর্ণ ক্ষতিপূরণ ও আহত শ্রমিকদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে এবং শ্রমিক আন্দোলন দমন করার রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে।
সংগঠনটি শ্রমিক শ্রেণির ন্যায্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকল শ্রমিক, গণতান্ত্রিক শক্তি ও মানবাধিকারকর্মীদের প্রতি ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে।
- Advertisement -spot_img
আরও সংবাদ
- Advertisement -spot_img
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here